প্রশ্নের বর্ণনা

a 1865
b 1872
c 1875
d 1881
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮৭২ ১. কেন সঠিক: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় বাংলা ১২৭৯ সালের বৈশাখে, যার ইংরেজি সাল হলো ১৮৭২। - এই পত্রিকাটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং একে বাংলা সাহিত্যের নবজাগরণের অগ্রদূত বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'বঙ্গদর্শন' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও মানসম্মত মাসিক সাহিত্যপত্র। - এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং পরবর্তীতে সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এটি সম্পাদনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই বিখ্যাত উপন্যাসটি প্রথম 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত ঐতিহাসিক উপন্যাস যা ১৮৬৫ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপشن কেন ভুল: A) ১৮৬৫ — এই সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু বঙ্গদর্শন প্রকাশিত হয়নি। B) ১৮৭২ — এই সালটি বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রথম প্রকাশের সঠিক সাল এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত একটি তথ্য। C) ১৮৭৫ — এই সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রকাশনা সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল এবং এটি পত্রিকা প্রকাশের সঠিক সাল নয়। D) ১৮৮১ — এই সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আনন্দমঠ উপন্যাসটি বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়া শুরু হয়, কিন্তু পত্রিকার প্রথম প্রকাশ সাল এটি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের ঠিক পনেরো বছর পর ১৮৭২ সালে বঙ্গদর্শন প্রকাশিত হয়। - বঙ্কিম মানেই বঙ্গদর্শন এবং ১৮৭২ সালটি মনে রাখার জন্য ১২৭৯ বঙ্গাব্দকে মাথায় রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রথম সংখ্যার প্রচ্ছদে লেখা থাকত নানা রঙের ফুল ফুটিলে জগৎ মনোরম হয়। - বাংলা উপন্যাসের বিকাশ এবং সমালোচনা সাহিত্যের প্রসারে এই পত্রিকার অবদান অপরিসীম।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0