প্রশ্নের বর্ণনা

a ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
b অক্ষয়কুমার দত্ত
c প্যারিচাঁদ মিত্র
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অক্ষয়কুমার দত্ত ১. কেন সঠিক: - ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত। - ১৮৪৩ সালের ১৬ই আগস্ট তত্ত্বরঞ্জিনী সভার মুখপত্র হিসেবে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয় এবং পরে এর নাম ‘তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’ রাখা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উনিশ শতকের বাংলা গদ্য ও সাংবাদিকতার বিকাশে ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকা এবং অক্ষয়কুমার দত্তের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - তিনি বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান ও দর্শনের নানা বিষয় সহজভাবে তুলে ধরে বাংলা গদ্যকে পরিশীলিত ও সমৃদ্ধ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্ষয়কুমার দত্ত রচিত ‘চারুপাঠ’ গ্রন্থটি বাংলা শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় শিক্ষামূলক গ্রন্থ যা নৈতিকতা ও জ্ঞানার্জনে সহায়তা করে। উদাহরণ ২: অক্ষয়কুমার দত্তের আরেকটি বিখ্যাত রচনা হলো ‘বাহ্যবস্তুর সহিত মানবপ্রকৃতির সম্বন্ধ’। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে মানুষ ও প্রকৃতির পারস্পরিক সম্পর্ক বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — ইনি ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন যা উনিশ শতকের একটি বিখ্যাত সংবাদপত্র। B) অক্ষয়কুমার দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সফল সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) প্যারিচাঁদ মিত্র — ইনি বাংলা উপন্যাসের পথিকৃৎ এবং ‘আলালের ঘরের দুলাল’ গ্রন্থের রচয়িতা। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক এবং ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদকের নাম মনে রাখতে মনে রাখুন, অক্ষয় হাতে তত্ত্বের আলো জ্বালিয়েছিলেন। - এভাবে লেখকের নামের সঙ্গে পত্রিকার নামটি সহজে মনে রাখা সম্ভব হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উনিশ শতকের সাময়িকপত্র ও সম্পাদক থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - পত্রিকার নাম এবং তার প্রথম সম্পাদকের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0