প্রশ্নের বর্ণনা

a 10
b 8
c 11
d 9
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০ ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে মাত্রা ভেদে বর্ণগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে যে বর্ণগুলোতে কোনো মাত্রা থাকে না, তাদেরকে মাত্রাবিহীন বর্ণ বলা হয়। - বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাবিহীন বর্ণ ১০টি রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা স্বরবর্ণে ৬টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণে ৪টি মিলিয়ে মোট ১০টি মাত্রাবিহীন বর্ণ রয়েছে। স্বরবর্ণের মাত্রাবিহীন বর্ণগুলো হলো এ, ঐ, ও, ঔ, অ এবং রি (ব্যতিক্রম হিসেবে অনেক সময় রি-কে ধরা হলেও প্রমিত ব্যাকরণে এটি মাত্রাবিহীন)। ব্যঞ্জনবর্ণের মাত্রাবিহীন বর্ণগুলো হলো ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ এবং ঁ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বরবর্ণের মাত্রাবিহীন বর্ণসমূহ। ব্যাখ্যা: অ, এ, ঐ, ও, ঔ এই বর্ণগুলো লেখার সময় কোনো মাত্রা ব্যবহার করা হয় না। উদাহরণ ২: ব্যঞ্জনবর্ণের মাত্রাবিহীন বর্ণসমূহ। ব্যাখ্যা: ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ এই বর্ণগুলোতেও কোনো মাত্রা থাকে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 10 — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা বর্ণমালায় ঠিক ১০টি মাত্রাবিহীন বর্ণ রয়েছে। B) 8 — এটি ভুল কারণ ৮টি হলো অর্ধমাত্রার বর্ণের সংখ্যা, মাত্রাবিহীন বর্ণের সংখ্যা নয়। C) 11 — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় ১১টি মাত্রাবিহীন বর্ণ নেই, সঠিক সংখ্যাটি ১০। D) 9 — এটি ভুল কারণ ৯টি কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক বর্ণসংখ্যার মান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ৩২ যোগ ৮ যোগ ১০ সমান ৫০। এভাবে মনে রাখতে পারো ৩২টি পূর্ণমাত্রা, ৮টি অর্ধমাত্রা এবং ১০টি মাত্রাবিহীন বর্ণ। - স্বরবর্ণে মাত্রাবিহীন বর্ণ ৬টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণে ৪টি, মোট ১০টি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মাত্রা সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে, তাই পূর্ণমাত্রা ৩২, অর্ধমাত্রা ৮ এবং মাত্রাবিহীন ১০ মুখস্থ রাখা জরুরি। - বর্ণমালা গণনার সময় চন্দ্রবিন্দু এবং অনুস্বার-বিসর্গ ব্যঞ্জনবর্ণের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে ধরতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0