প্রশ্নের বর্ণনা

a 7
b 37
c 32
d 39
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৭ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনি মোট ৩৭টি। এর মধ্যে স্বরধ্বনি ৭টি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় বর্ণ অনেক থাকলেও কান ও মুখের উচ্চারণের ওপর ভিত্তি করে মৌলিক ধ্বনি নির্ধারিত হয়। স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা এবং মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা এক নয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই, উ, এ, ও, ঐ বা ঋ এর মধ্যে মৌলিক স্বরধ্বনি হলো ৭টি। এই ৭টি মৌলিক স্বরধ্বনি দিয়েই অন্য স্বরধ্বনিগুলো গঠিত হয়। ব্যাখ্যা: বাংলা উচ্চারণে মৌলিক স্বরধ্বনিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং এরাই ধ্বনি বিজ্ঞানের মূল ভিত্তি। উদাহরণ ২: ক, চ, ট, ত, প বর্গের ধ্বনিগুলো এবং অন্তস্থ ধ্বনি মিলে মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনির সংখ্যা ৩০টি হয়। ব্যাখ্যা: এই ৩০টি মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি মুখের বিভিন্ন বাকপ্রতঙ্গের সাহায্যে উচ্চারিত হয়ে বাংলা শব্দের রূপ তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ — এটি মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা, মোট মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা নয়। তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) ৩২ — এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট মৌলিক ধ্বনি বা বর্ণের প্রমিত সংখ্যা নির্দেশ করে না। তাই এটি ভুল। D) ৩৯ — এটি বাংলা বর্ণমালার ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা, মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি বা মোট মৌলিক ধ্বনি নয়। তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: মৌলিক ধ্বনি ৩৭টি মনে রাখতে ৭টি স্বরধ্বনি এবং ৩০টি ব্যঞ্জনধ্বনি যোগ করে ৩৭ হয়, এই সূত্রটি মনে রাখবে। স্বরধ্বনি ৭ আর ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০ মিলে মোট ৩৭টি মৌলিক ধ্বনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক ধ্বনি, মৌলিক স্বরধ্বনি এবং মোট বর্ণের সংখ্যা নিয়ে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হয়। তাই মৌলিক ধ্বনি ৩৭টি, মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি এবং মোট বর্ণ ৫০টি—এই সংখ্যাগুলো ভালোভাবে আলাদা করে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0