প্রশ্নের বর্ণনা

a 1926
b 1911
c 1964
d 1905
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1926 ১. কেন সঠিক: ঢাকার মুসলিম সাহিত্য সমাজ ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মূল স্লোগান ছিল বুদ্ধির মুক্তি যা বাঙালি মুসলমানের চিন্তাজগতে নবজাগরণ ঘটিয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সচিব ছিলেন আবুল হুসেন এবং কাজী মোতাহার হোসেন এর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিলেন। তাদের মুখপত্র হিসেবে 'শিখা' নামক পত্রিকা ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয় যার মূল মন্ত্র ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিখা পত্রিকা ব্যাখ্যা: মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে এই পত্রিকা বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: কাজী আব্দুল ওদুদ ব্যাখ্যা: তিনি এই সমাজের একজন অন্যতম প্রধান সংগঠক ও প্রাবন্ধিক যিনি মুক্তচিন্তার চর্চা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1926 — এটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠার সঠিক সন। B) 1911 — এই সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয় যা ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। C) 1964 — এই সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে শিশু সংগঠন কচি কাঁচার মেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। D) 1905 — এই সালে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৬ সালে এবং এর মুখপত্র শিখা প্রকাশিত হয় পরের বছর ১৯২৭ সালে। বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সঙ্গে এই দুটি সাল অত্যন্ত গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠাকাল এবং এর মুখপত্র শিখা পত্রিকার নাম বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। এই সংগঠনের মূল স্লোগান বুদ্ধির মুক্তি কার সাথে জড়িত, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0