প্রশ্নের বর্ণনা

a 1852
b 1892
c 1900
d 1912
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯০০ ১. কেন সঠিক: - ভাই গিরিশচন্দ্র সেন ১৮৮১ থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে পবিত্র কুরআন শরীফের পূর্ণাঙ্গ বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন এবং প্রকাশ করেন। - এটি ছিল বাংলা ভাষায় কুরআনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভরযোগ্য অনুবাদ, যা ধর্মীয় ও সাহিত্যিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাই গিরিশচন্দ্র সেন একজন প্রখ্যাত অনুবাদক, গবেষক এবং ব্রাহ্মসমাজের প্রচারক ছিলেন যিনি ইসলাম ধর্ম ও সাহিত্য নিয়ে গভীর চর্চা করেছিলেন। - তিনি কুরআনের পাশাপাশি হযরত মোহাম্মদের জীবন চরিত এবং তাফসিরসহ ইসলামের বিভিন্ন মৌলিক গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তপন কার্য ব্যাখ্যা: গিরিশচন্দ্র সেনের অনূদিত অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থের মধ্যে তাপসবল্লী ও মহাভারতের কিছু অংশের অনুবাদ উল্লেখযোগ্য। উদাহরণ ২: হিজরত প্রীতি ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে ইসলামি ধর্মগ্রন্থের প্রচার ও প্রসারে তার এই অনুবাদ যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৫২ — এই সালে গিরিশচন্দ্র সেনের কুরআন অনুবাদ সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। B) ১৮৯২ — এই সালটি কুরআনের পূর্ণাঙ্গ অনুবাদের সমাপ্তি বছর নয়, কারণ তখন অনুবাদ কাজ চলমান ছিল। C) ১৯০০ — এই সালটি কুরআনের পূর্ণাঙ্গ বঙ্গানুবাদ সমাপ্ত ও প্রকাশের সঠিক বছর হিসেবে স্বীকৃত। D) ১৯১২ — এই সালটি গিরিশচন্দ্র সেনের কুরআন অনুবাদের সমাপ্তি বছরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গিরিশচন্দ্র সেন ১৮৮১ সালে কাজ শুরু করে ১৯০০ সালে কুরআনের অনুবাদ শেষ করেন। - উনিশ শতকের শেষ প্রান্তে এসে তিনি এই ঐতিহাসিক কাজটি সম্পন্ন করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা ভাষায় কুরআনের প্রথম অনুবাদক কে। - উত্তর হবে ভাই গিরিশচন্দ্র সেন এবং তার অনুবাদের সমাপ্তি সাল হলো ১৯০০।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0