প্রশ্নের বর্ণনা

a 1950
b 1952
c 1954
d 1956
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫২ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি ১৯৫২ সালের ৫ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। - এশিয়াটিক সোসাইটি মূলত বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞান চর্চার একটি শীর্ষস্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ২. সাহিত্য ও ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা: - ১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম নাম ছিল এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান। পরবর্তীতে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি করা হয়। - এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাপিডিয়া প্রকাশের মতো ঐতিহাসিক ও প্রামাণ্য গ্রন্থ রচনা ও প্রকাশের মাধ্যমে দেশের শিক্ষা ও গবেষণায় অনন্য অবদান রেখেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালে। ব্যাখ্যা: এটি ভাষা ও সাহিত্য চর্চার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠান যা ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠিত হয়। উদাহরণ ২: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২১ সালে। ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার সূতিকাগার এবং এর সাথে বহু ঐতিহাসিক ঘটনা জড়িত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫০ — এই সালে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি এবং এটি এ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠার সাল নয়। B) ১৯৫২ — এটি সঠিক সাল কারণ এই সালেই প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়েছিল। C) ১৯৫৪ — এই সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তবে এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়। D) ১৯৫৬ — এই সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান প্রণীত হয়েছিল, কিন্তু এশিয়াটিক সোসাইটি এর আগে ১৯৫২ সালেই প্রতিষ্ঠিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক বছর ১৯৫২ সালেই বাংলাদেশে এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সালটি মনে রাখতে ভাষা আন্দোলনের বছরটিকে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং এর প্রথম নাম ছিল এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠালগ্ন এবং প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0