প্রশ্নের বর্ণনা

a ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতার একটি চরণ
b ‘বিদ্রোহী’ কবিতার একটি চরণ
c ‘খেয়াপারের তরণী’ কবিতার একটি চরণ
d ‘শাতিল আরব’ কবিতার একটি চরণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ‘বিদ্রোহী’ কবিতার একটি চরণ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত চরণটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ‘বিদ্রোহী’ কবিতার অন্যতম একটি শক্তিশালী ও বহুল পঠিত পঙ্‌ক্তি। - এখানে বাঁকা বাঁশের বাঁশি শান্তি ও প্রেমের প্রতীক এবং রণতুর্য যুদ্ধের বা ধ্বংসের প্রতীক, যা কবির বিদ্রোহী সত্তার দ্বৈত রূপ ফুটিয়ে তোলে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত এবং বাংলা সাহিত্যে এক বিপ্লব সৃষ্টিকারী মাস্টারপিস। - এই কবিতায় কবি নিজেকে সর্বগ্রাসী বিদ্রোহী হিসেবে উপস্থাপন করেছেন, যেখানে সাম্যবাদ, দ্রোহ এবং প্রেমের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহা-বিদ্রোহী রণক্লান্ত / আমি সেই দিন হব শান্ত। ব্যাখ্যা: এটিও ‘বিদ্রোহী’ কবিতার বিখ্যাত চরণ, যা কবির বিদ্রোহী সত্তার ক্লান্তিহীন সংগ্রামের কথা বলে। উদাহরণ ২: বল বীর - / বল উন্নত মম শির। ব্যাখ্যা: এটি ‘বিদ্রোহী’ কবিতার প্রারম্ভিক চরণ, যা আত্মমর্যাদা ও সাহসিকতার প্রতীক হিসেবে বহুল ব্যবহৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতার একটি চরণ — এটি ভুল কারণ ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতাটি ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের হলেও আলোচ্য চরণটি এতে নেই। B) ‘বিদ্রোহী’ কবিতার একটি চরণ — এটি সঠিক এবং কবিতার মূল ভাবের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। C) ‘খেয়াপারের তরণী’ কবিতার একটি চরণ — এটি ভুল কারণ ‘খেয়াপারের তরণী’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত। D) ‘শাতিল আরব’ কবিতার একটি চরণ — এটি ভুল কারণ ‘শাতিল আরব’ কাজী নজরুল ইসলামের অন্য একটি বিখ্যাত কবিতা, আলোচ্য চরণটি এর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় এক হাতে বাঁশি (প্রেম) এবং অন্য হাতে রণতুর্য (যুদ্ধ) ধারণের রূপকটি ব্যবহার করা হয়েছে। ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের প্রথম প্রকাশিত কবিতাগুলোর সঙ্গে এই পঙ্‌ক্তিগুলোর মিল মনে রাখলে সহজেই উত্তর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি বাংলা কাব্যে রোমান্টিক দ্রোহের এক অনন্য দলিল যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বারবার আসে। কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নিবীণা’ কাব্য এবং এর অন্তর্ভুক্ত কবিতাগুলোর নাম ও চরণ মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0