প্রশ্নের বর্ণনা

a √দীপ্য + মান
b √দীপ + আনন
c √দীপ + আন
d √দীপ + শানচ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √দীপ + শানচ ১. কেন সঠিক: সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসারে আত্মনেপদ ধাতুর উত্তর বর্তমান কালে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং শানচ প্রত্যয়ের শ ও চ ইৎ বা লোপ পায়, কেবল আন অবশিষ্ট থাকে। দীপ ধাতু একটি আত্মনেপদ ধাতু এবং এর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দীপ্যমান পদটি গঠিত হয়েছে যা বর্তমান কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত নিয়মে কৃৎ প্রত্যয় সাধনের ক্ষেত্রে বর্তমান কালের অর্থে পরস্মৈপদ ধাতুর পরে শতৃ এবং আত্মনেপদ ধাতুর পরে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়। এখানে দীপ হলো ধাতু এবং শানচ হলো প্রত্যয়, যা যোগে উৎপন্ন শব্দ বিশেষণের কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √লভ + শানচ = লভ্যমান ব্যাখ্যা: এটি আত্মনেপদ ধাতুর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যোগে গঠিত বর্তমান কৃৎ প্রত্যয়ের শব্দ। উদাহরণ ২: √সেব + শানচ = সেবমান ব্যাখ্যা: এটিও আত্মনেপদ ধাতুর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপشن কেন ভুল: A) √দীপ্য + মান — দীপ্য কোনো মূল ধাতু নয়, মূল ধাতু হলো দীপ এবং মান কোনো আদি সংস্কৃত প্রত্যয় নয়। B) √দীপ + আনন — আনন কোনো স্বীকৃত প্রত্যয় নয়, এটি ভুল গঠনে তৈরি করা হয়েছে। C) √দীপ + আন — এখানে আন প্রত্যয় বলা হলেও এটি মূলত শানচ প্রত্যয়ের সংক্ষিপ্ত রূপ, যা সরাসরি এভাবে ব্যাকরণে সিদ্ধ নয়। D) √দীপ + শানচ — এটি সঠিক কারণ দীপ ধাতুর উত্তর শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রমিত নিয়মেই শব্দটি সাধিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত নিয়মে গঠিত শব্দের শেষে মান বা মানা দেখলে এবং তা বর্তমান কালের অর্থ প্রকাশ করলে সাধারণত সেখানে শানচ প্রত্যয় হয়েছে বলে ধরে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ধাতুর নিচে হসন্ত চিহ্ন এবং প্রত্যয়ের সঠিক রূপ চেনা জরুরি। আত্মনেপদ ধাতুর ক্ষেত্রে শানচ প্রত্যয়ের ব্যবহার বেশি দেখা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0