প্রশ্নের বর্ণনা

a ১ বলার দ্বিগণ সময়
b ১ উচ্চারণে যে সময় লাগে
c ১ মিনিট
d ১ সেকেন্ড
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ সেকেন্ড ১. কেন সঠিক: ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের সমাপ্তি, বিস্ময়, জিজ্ঞাসা বা আবেগ প্রকাশ করার জন্য যেসব যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাদের মধ্যে জিজ্ঞাসা চিহ্ন অন্যতম। প্রশ্নবোধক বাক্য লেখার পর এই চিহ্ন ব্যবহার করা হয় এবং এর উচ্চারণের সময়কাল হলো ঠিক ১ সেকেন্ড। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্নের সঠিক ব্যবহার বাক্যকে অর্থপূর্ণ ও সুস্পষ্ট করে তোলে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় যতিচিহ্নের প্রবর্তন ও প্রচলন করেন, যা বাক্য পাঠের গতি ও বিরতিকাল নির্ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমার নাম কী? ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রশ্নবোধক বাক্য এবং এর শেষে জিজ্ঞাসা চিহ্ন বসেছে যার বিরতিকাল ১ সেকেন্ড। উদাহরণ ২: তুমি কাল কোথায় গিয়েছিলে? ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে কোনো তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে বলে এটি প্রশ্নবোধক বাক্য এবং এর বিরতিকাল ১ সেকেন্ড। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ বলার দ্বিগণ সময় — এই বিরতিকালটি কমা চিহ্নের জন্য প্রযোজ্য, যার থামার সময় ১ বলার দ্বিগুণ বা ১ সেকেন্ডের কম। B) ১ উচ্চারণে যে সময় লাগে — এই বিরতিকালটি কোলন ড্যাশ বা ড্যাশ চিহ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। C) ১ মিনিট — বাংলা ব্যাকরণে এমন কোনো দীর্ঘ বিরতিকালযুক্ত যতিচিহ্ন নেই। D) ১ সেকেন্ড — এটি জিজ্ঞাসা বা প্রশ্নবোধক চিহ্নের সঠিক ও প্রমিত বিরতিকাল। ৫. মনে রাখার টিপস: জিজ্ঞাসা চিহ্ন এবং বিস্ময় সূচক চিহ্ন উভয় ক্ষেত্রেই থামার বা বিরতির সময়কাল হলো ১ সেকেন্ড। প্রশ্ন বা আবেগ দেখলেই ১ সেকেন্ড থামার নিয়ম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের বিরতিকাল থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, যেমন কমা থামতে ১ বলার সময় এবং পূর্ণচ্ছেদ থামতে ১ সেকেন্ড সময় লাগে। সব যতিচিহ্নের নির্দিষ্ট সময়কাল মুখস্থ রাখলে ব্যাকরণের এই অংশ থেকে নম্বর পাওয়া সহজ হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0