প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৩টি
b ১০টি
c ১২টি
d ১১টি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১টি ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালায় মোট মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি হলেও লিখিত রূপ বা বর্ণ হিসেবে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১টি। - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী স্বরবর্ণের এই নির্দিষ্ট সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। - স্বরবর্ণগুলো হলো অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ এবং এগুলো অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়া নিজে নিজেই উচ্চারিত হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ এবং আ ব্যাখ্যা: অ হলো স্বরবর্ণের প্রথম বর্ণ এবং আ হলো অ এর দীর্ঘ রূপ, যা শব্দের শুরুতে বা মাঝে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ই এবং ঈ ব্যাখ্যা: ই হলো হ্রস্ব স্বরবর্ণ এবং ঈ হলো এর দীর্ঘ রূপ, যা উচ্চারণের সময়কালের ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩টি — বাংলা বর্ণমালায় ঐতিহ্যগতভাবে ১৩টি স্বরবর্ণ ধরা হতো যখন রি-কার বা লি-কার জাতীয় বর্ণ যুক্ত করা হতো, তবে প্রমিত নিয়মে তা ১১টি। B) ১০টি — বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা কখনো ১০টি ছিল না, তাই এই অপটি সম্পূর্ণ ভুল। C) ১২টি — বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১২টি নয়, বরং দীর্ঘ ঋ-কার বা অন্য কোনো বর্ণকে ভুলবশত গণনা করলে এই সংখ্যা হতে পারে। D) ১১টি — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সর্বজনস্বীকৃত। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ হলো হাত ও পায়ের আঙুলের মোট সংখ্যার চেয়ে একটি কম অর্থাৎ ১১টি। - স্বরবর্ণ মোট ১১টি আর ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি, যোগ করলে মোট বর্ণ হয় ৫০টি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা আলাদাভাবে জানতে চাওয়া হয়। - বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি, এই সংখ্যা দুটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0