প্রশ্নের বর্ণনা

a ৮০০ বছর
b ১০০০ বছর
c ১১০০ বছর
d ১২০০ বছর
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০০০ বছর ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন। ড. সুনীতিকুমার চট্টোধ্যায় ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করে এর রচনাকাল নির্ধারণ করেছেন আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী। - বর্তমান সময় থেকে হিসাব করলে চর্যাপদের বয়স প্রায় এক হাজার বছর বা তার কিছু বেশি হয়, তাই পরীক্ষার উপযোগী প্রমিত উত্তর হিসেবে ১০০০ বছর ধরা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা আচার্যচর্য বিনিময়। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। - ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে চর্যাপদের প্রথম সংকলন প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। ব্যাখ্যা: ১৯০৭ সালে তিনি নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করে বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন। উদাহরণ ২: চর্যাপদের প্রথম পদকর্তা লুইপা। ব্যাখ্যা: ড. সুকুমার সেন ও অন্যান্য গবেষকদের মতে লুইপা ছিলেন চর্যাপদের আদি পদকর্তা এবং তাঁর রচিত পদটি ছিল প্রথম পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮০০ বছর — চর্যাপদের রচনাকাল আনুমানিক দশম শতাব্দী হওয়ায় এর বয়স আটশ বছরের চেয়ে বেশি, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। C) ১১০০ বছর — চর্যাপদের বয়সের আনুমানিক হিসাব এক হাজার বছরের কাছাকাছি ধরা হয়, তাই ১১০০ বছর সঠিক বা সর্বজনগ্রাহ্য পরিমাপ নয়। D) ১২০০ বছর — চর্যাপদের প্রাচীনতম পদ রচনার সময়কাল বিবেচনা করলে বারোশ বছর বয়স অতিশয় বেশি হয়, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদের প্রকাশনার নাম মনে রাখলেই বয়স মনে রাখা সহজ হবে, কারণ হরপ্রসাদ শাস্ত্রী একে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষা বলে প্রকাশ করেছিলেন। - চর্যাপদের বয়স মানেই প্রায় এক হাজার বছর পুরনো বাংলা ভাষার প্রথম নিদর্শন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কার সাল এবং প্রথম প্রকাশকাল সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ মানেই চর্যাপদ এবং এর আনুমানিক সময়কাল দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0