প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৩০০-১৩৪০ সালের মধ্যে
b ১৩৫০-১৪০০ সালের মধ্যে
c ১৩৪০-১৪৪০ সালের মধ্যে
d ১৩০০-১৪০০ সালের মধ্যে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৪০-১৪৪০ সালের মধ্যে ১. কেন সঠিক: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ১৩৪০ থেকে ১৪৪০ সালের মধ্যে রচিত হয়েছে। - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সন্ধিক্ষণে রচিত এই কাব্যটির কাল নির্ণয় করেছেন প্রখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক ও গবেষক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের গানভিত্তিক একটি নাট্যধর্মী কাব্য। - বসন্তরঞ্জন রায় বিদদ্বল্লভ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এক গোয়ালঘর থেকে এই পুথি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীদাস পদের আদি কবি ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে একাধিক চণ্ডীদাস পাওয়া যাওয়ায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতাকে বডু চণ্ডীদাস বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাস ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির সূচনার সঙ্গে চণ্ডীদাসের নাম ও শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের ভাষা ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩০০-১৪০০ সালের মধ্যে — এটি ড. সুকুমার সেনের মতে চর্যাপদের রচনাকাল, শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের কাল নয়। B) ১৩৫০-১৪০০ সালের মধ্যে — এটি ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের সম্ভাব্য কাল নয়। D) ১৩০০-১৪০০ সালের মধ্যে — এই সময়সীমাটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রারম্ভিক কাল হিসেবে ধরা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর কাল নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সালগুলো বড় অর্থাৎ ১৩৪০ থেকে ১৪৪০ এভাবে মনে রাখতে হবে। - বডু চণ্ডীদাস মানেই চৌদ্দ শতকের শেষ থেকে পনেরো শতকের পরিধি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারক বসন্তরঞ্জন রায় এবং পুথিটি পাওয়া যায় বাঁকুড়া জেলা থেকে। - বাংলা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদ ও শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচনাকাল প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই গবেষক অনুযায়ী সালগুলো আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0