প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৩০৭ বঙ্গাব্দে
b ১৩০৯ বঙ্গাব্দে
c ১৩১৬ বঙ্গাব্দে
d ১৩২৩ বঙ্গাব্দে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩২৩ বঙ্গাব্দে ১. কেন সঠিক: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্ববল্লভ কর্তৃক বাঁকুড়ার কাকুলিয়া গ্রাম থেকে আবিষ্কৃত হয় এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৩২৩ বঙ্গাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়। - বাংলা প্রাচীন ও মধ্যযুগের নিদর্শনগুলোর মধ্যে এটি একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাব্য, যা আবিষ্কারের মাধ্যমে মধ্যযুগের বাংলার সাহিত্যের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন হিসেবে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত বলে প্রমাণিত হয়েছে। - এই কাব্যে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পৌরাণিক কাহিনীর আড়ালে তৎকালীন রাঢ় অঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও সমাজচিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য খণ্ডভিত্তিক বা চরিত্রভিত্তিক নাটকীয় সংলাপের মাধ্যমে রচিত হয়েছে। ব্যাখ্যা: এটি একটি গীতকাব্য বা নাট্যধর্মী কাব্য, যেখানে সংলাপের মাধ্যমে কাহিনী এগিয়ে গেছে। উদাহরণ ২: চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন আবিষ্কারের একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩০৭ বঙ্গাব্দে — এই সালে কোনো বিখ্যাত প্রাচীন কাব্য প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল সাল। B) ১৩০৯ বঙ্গাব্দে — এটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন প্রকাশের সাল নয়। C) ১৩১৬ বঙ্গাব্দে — এই সালে অন্য কোনো সাহিত্যিক ঘটনা ঘটতে পারে, তবে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন প্রকাশের সাল এটি নয়। D) ১৩২৩ বঙ্গাব্দে — এটি সঠিক সাল, কারণ এই বঙ্গাব্দেই কাব্যটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ১৩২৩ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়, এই সালটি মনে রাখতে সংখ্যাগুলো আলাদা করে যোগ করে বা ছন্দের মাধ্যমে মনে রাখা যায়। - মধ্যযুগের আবিষ্কার মানেই ত্রয়োদশ শতাব্দীর বিশের দশক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের প্রণেতা বড়ু চণ্ডীদাস এবং আবিষ্কারক বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্ববল্লভ। - পরীক্ষার প্রশ্নে প্রায়ই এর আবিষ্কারক, প্রকাশকাল ও প্রাপ্তিস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0