প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৩০০ খ্রি.
b ১৩৫০ খ্রি.
c ১৪০০ খ্রি.
d ১৪৫০ খ্রি.
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪০০ খ্রি. ১. কেন সঠিক: - ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচনাকাল ১৪০০ খ্রিস্টাব্দ বা বাংলা সন আনুমানিক চতুর্দশ শতাব্দীর শেষভাগ। - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস এবং এটি ১৯০৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের বসন্তকুমার রায়ের বাড়ি থেকে আবিষ্কৃত হয়। - এই কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলো হলো রাধা, কৃষ্ণ এবং বরাই বুড়ি বা ঘটকি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্যসংগ্রহ যার রচনাকাল ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন এবং এর সময়কাল নির্ধারণেও ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর একটি গ্রহণযোগ্য অভিমত রয়েছে। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের আরেক প্রখ্যাত কাব্য হলো আলাওলের পদ্মাবত যা সপ্তদশ শতাব্দীতে রচিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের রোমান্টিক ধারার একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্য যার সময়কাল সাহিত্য ইতিহাসে সুনির্দিষ্ট। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩০০ খ্রি. — এই সময়টিকে ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচনাকাল হিসেবে ধরেননি কারণ তা ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে সঠিক নয়। B) ১৩৫০ খ্রি. — ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচনাকাল চতুর্দশ শতাব্দীর শেষভাগ বা পঞ্চদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ বললেও এই নির্দিষ্ট সালটি তাঁর বা শহীদুল্লাহ স্যারের নয়। D) ১৪৫০ খ্রি. — এই সালটি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রামাণিক রচনাকাল হিসেবে কোনো প্রধান গবেষক বা পন্ডিত নির্ধারণ করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - শহীদুল্লাহর শহ শব্দটির সঙ্গে ১৪০০ সালের শূন্যের মিল রেখে মনে রাখতে পারো ড. শহীদুল্লাহর সাল ১৪০০ খ্রিষ্টাব্দ। - মধ্যযুগের সূচনার এই সালটি মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলার আদি নিদর্শন চর্যাপদের কাল ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের কাল ১৪০০ খ্রিষ্টাব্দ। - বিভিন্ন গবেষকের মতে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচনাকাল ভিন্ন হতে পারে তবে ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতটি পরীক্ষাসমূহে সবচেয়ে বেশি আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0