প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৪৮৬ সাল
b ১৪৯২ সাল
c ১৪৯৮ সাল
d ১৫৩৩ সাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৪৮৬ সাল ১. কেন সঠিক: শ্রী চৈতন্যদেব ১৪৮৬ খ্রিস্টাব্দের ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে নদীয়া জেলার মায়াপুরে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলি ও ভক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান পুরুষ ছিলেন তিনি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শ্রী চৈতন্যদেব মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক ও মূল অনুপ্রেরণা ছিলেন। তাঁর জীবন ও ভাবাদর্শকে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যে চৈতন্যজীবনী সাহিত্য ধারার সৃষ্টি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চৈতন্যচরিতামৃত ব্যাখ্যা: কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী রচিত এই গ্রন্থটি শ্রী চৈতন্যদেবের জীবনের প্রামাণ্য জীবনী হিসেবে বিবেচিত। উদাহরণ ২: চৈতন্যভাগবত ব্যাখ্যা: বৃন্দাবন দাস ঠাকুর রচিত এই গ্রন্থটি শ্রী চৈতন্যদেবের বাল্য ওৈশৈশবের লীলা প্রচারের প্রথম বাংলা জীবনী গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪৮৬ সাল - এটি শ্রী চৈতন্যদেবের সঠিক জন্মসাল এবং প্রশ্নের নির্ধারিত উত্তর। B) ১৪৯২ সাল - এই সালে শ্রী চৈতন্যদেবের জন্ম হয়নি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর সাল। C) ১৪৯৮ সাল - এই সালে ভাস্কো দা গামা ভারতে আসেন, যা শ্রী চৈতন্যদেবের জন্মের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৫৩৩ সাল - এটি শ্রী চৈতন্যদেবের মহাপ্রয়াণ বা তিরোধানের সাল, জন্মসাল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: চৈতন্যদেবের জন্মসাল মনে রাখতে ১৪৮৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন এবং মনে রাখবেন তিনি ১৫৩৩ সালে মারা যান। মধ্যযুগের ইতিহাসের এই দুটি সাল পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শ্রী চৈতন্যদেবের জন্মস্থান বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার মায়াপুর। তাঁর শৈশবের নাম ছিল নিমাই বা বিশ্বম্ভর।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0