প্রশ্নের বর্ণনা

a ১২০১-১৪১০
b ১৪১০-১৬২০
c ১৩৫১-১৫৭৫
d ১৫৭৬-১৭৫৭
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৫১-১৫৭৫ ১. কেন সঠিক: সুলতানি যুগের সময়কাল ১৩৫১ থেকে ১৫৭৫ সাল পর্যন্ত ধরা হয়। ১৩৫১ সালে শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ বাংলা স্বাধীন সুলতানি প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৫৭৬ সালে মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই কালখণ্ড সুলতানি আমল হিসেবে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে সুলতানি যুগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় কারণ এই সময়ে পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য রাজসভার স্বীকৃতি পায়। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচনা এবং রামায়ণ মহাভারত অনুবাদের সূত্রপাত এই যুগেই ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: বড়ু চণ্ডীদাস রচিত এই কাব্য সুলতানি আমলের শুরুর দিকের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম নিদর্শন। উদাহরণ ২: কৃত্তিবাসী রামায়ণ ব্যাখ্যা: কবি কৃত্তিবাস ওঝা সুলতানি আমলের শেষভাগে বাংলায় রামায়ণ অনুবাদ করেন যা এই যুগের সাহিত্যিক ঐতিহ্যের পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০১-১৪১০ — এই সময়কালটি মূলত বাংলা বিজয়ের পর ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির অভিযান এবং তুর্কি ও সেন আমলের সংমিশ্রণ নির্দেশ করে। B) ১৪১০-১৬২০ — এই সময়কালের পরিসীমাটি সঠিক সুলতানি আমলের সঠিক কালপঞ্জির সঙ্গে মেলে না কারণ সুলতানি আমল শেষ হয়েছে ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগে। D) ১৫৭৬-১৭৫৭ — ১৫৭৬ সালে রাজমহলের যুদ্ধের মাধ্যমে সুলতানি যুগের অবসান ঘটে এবং মুঘল শাসন শুরু হয় যা ১৭৫৭ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: সুলতানি আমল মনে রাখতে মধ্যযুগের শুরুতে ১৩৫১ সাল থেকে ১৫৭৫ সাল পর্যন্ত সময়কালকে মাথায় রাখবে। মুঘল আমল শুরু হওয়ার আগের সময়টাই হলো সুলতানি আমল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার মধ্যযুগের সময়কাল এবং সুলতানি যুগের ব্যপ্তি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ শুরু হয় ১২০১ সাল থেকে এবং শেষ হয় ১৮০০ সালে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0