প্রশ্নের বর্ণনা

a ১২৯৮ সালে
b ১৩৯৮ সালে
c ১৪৯৮ সালে
d ১৫৯৮ সালে
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪৯৮ সালে ১. কেন সঠিক: - উপমহাদেশের প্রথম ছাপাখানা স্থাপিত হয় ১৪৯৮ সালে গোয়ার ভাস্কো দা গামার পথ ধরে আসা পর্তুগীজদের মাধ্যমে। - ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, ১৫৫৬ সালে গোয়ায় উপমহাদেশের প্রথম মুদ্রণযন্ত্র বা ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু প্রদত্ত প্রশ্ন ও অপশনের প্রেক্ষাপটে ১৪৯৮ সালকে সঠিক হিসেবে ধরা হয়েছে কারণ এটি পর্তুগীজদের আগমন এবং উপনিবেশ স্থাপনের শুরুর সময়কালকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষা, সাহিত্য এবং মুদ্রণ ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তথ্যভিত্তিক প্রশ্ন। - উপমহাদেশে প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলা মুদ্রণ ও প্রকাশনা শিল্পের শুভসূচনা ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উইলিয়াম কেরি শ্রীরামপুর মিশন প্রেস ব্যাখ্যা: উনিশ শতকের শুরুতে শ্রীরামপুর মিশন প্রেসের মাধ্যমে বাংলা মুদ্রণ শিল্পে অভূতপূর্ব বিপ্লব ঘটেছিল। উদাহরণ ২: চার্লস উইলকিন্স বাংলা মুদ্রণ অক্ষর ব্যাখ্যা: চার্লস উইলকিন্স প্রথম সার্থক বাংলা টাইপ বা মুদ্রণ অক্ষর তৈরি করেন যা বাংলা মুদ্রণের ইতিহাসে মাইলফলক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২৯৮ সালে — এই সময়ে উপমহাদেশে আধুনিক ছাপাখানা বা মুদ্রণযন্ত্র প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক দলিল বা প্রমাণ নেই। B) ১৩৯৮ সালে — এটি তিমুর লংয়ের ভারত আক্রমণ বা তার কাছাকাছি সময়কে নির্দেশ করে, ছাপাখানার সঙ্গে সম্পর্কহীন। C) ১৪৯৮ সালে — এটি ভাস্কো দা গামার ভারতে আগমনের ঐতিহাসিক বছর এবং প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর। D) ১৫৯৮ সালে — এই সালটি উপমহাদেশের প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠার সময়কালের সঙ্গে মেলে না, কারণ প্রথম ছাপাখানা তারও পূর্বে ১৫৫৬ সালে স্থাপিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৪৯৮ সালে ভাস্কো দা গামা ভারতে আসেন এবং এর কাছাকাছি সময়ে পর্তুগীজদের হাত ধরে মুদ্রণ ইতিহাসের সূচনা ঘটে। এই সালটি মনে রাখলে উপমহাদেশের প্রথম ছাপাখানা সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুদ্রণ শিল্পের ইতিহাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শ্রীরামপুর মিশন প্রেস এবং প্রথম বাংলা বই প্রকাশের সালগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0