প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৭৬০ সালে
b ১৮৬০ সালে
c ১৯০৫ সালে
d ১৭৭০ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭৬০ সালে ১. কেন সঠিক: মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ১৭৬০ সালে মাত্র ৪৪ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শেষ পর্যায়ে অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করে তিনি অমর হয়ে আছেন এবং তার মৃত্যুর মাধ্যমেই মধ্যযুগের সমাপ্তি ঘটে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ছিলেন অষ্টাদশ শতকের কবি এবং নদীয়া জেলার ভান্ডার গ্রামের অধিবাসী। তিনি রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন এবং তাকে মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় গুণাকর উপাধিতে ভূষিত করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের সবচেয়ে বিখ্যাত ও জনপ্রিয় দীর্ঘ কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: সত্যপীরের পাঁচালী। ব্যাখ্যা: এটিও কবি ভারতচন্দ্রের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্য রচনা যা মধ্যযুগের শেষ ভাগের নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৬০ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর এই সালেই মৃত্যুবরণ করেন। B) ১৮৬০ সালে — এটি ভুল কারণ এই সময়ে উনিশ শতকের আধুনিক যুগ চলছে এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বা মীর মশাররফ হোসেনের সময়কাল এটি। C) ১৯০৫ সালে — এটি ভুল কারণ এই সালে বাংলার প্রথম বঙ্গভঙ্গ সংঘটিত হয়েছিল, যা আধুনিক যুগের ঘটনা। D) ১৭৭০ সালে — এটি ভুল কারণ এই সালে বাংলায় ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়েছিল, যা ভারতচন্দ্রের মৃত্যুর দশ বছর পর ঘটে। ৫. মনে রাখার টিপস: ভারতচন্দ্রের জন্ম ১৭১২ সালে এবং মৃত্যু ১৭৬০ সালে, অর্থাৎ তিনি মধ্যযুগের শেষ প্রান্তে মারা যান। তার বিখ্যাত উপাধি গুণাকর এবং তার মৃত্যুসাল ১৭৬০ মনে রাখলেই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তর দেওয়া সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের সমাপ্তি এবং আধুনিক যুগের সূচনার সন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তার রচিত অন্নদামঙ্গল এবং তার উপাধি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0