প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৮০৭-১৮৮৫
b ১৮২০-১৮৮৬
c ১৮০১-১৮৮০
d ১৮২০-১৮৮৯
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮২০-১৮৮৬ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি উনিশ শতকের প্রথিতযশা বাঙালি সাহিত্যিক ও সমাজসংস্কারক অক্ষয়কুমার দত্তের সঠিক জন্ম ও মৃত্যুর সাল নির্দেশ করে। - বাংলা গদ্যের অন্যতম রূপকার ও বিজ্ঞানমনস্ক এই লেখক ১৮২০ সালে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ১৮৮৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অক্ষয়কুমার দত্ত বাংলা গদ্য সাহিত্যে তথ্যমূলক ও বিজ্ঞানভিত্তিক রচনার সূত্রপাত করেন এবং তত্ত্ববোধক পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। - চারুপাঠ, বাহ্যবস্তুর সহিত মানবপ্রকৃতির সম্বন্ধ বিচার এবং ভারতের উপাসক সম্প্রদায় তার বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চারুপাঠ ব্যাখ্যা: এটি অক্ষয়কুমার দত্তের রচিত একটি বিখ্যাত নৈতিক ও শিক্ষামূলক পাঠ্যপুস্তক, যা উনিশ শতকের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় ছিল। উদাহরণ ২: তত্ত্ববোধক পত্রিকা ব্যাখ্যা: অক্ষয়কুমার দত্ত এই পত্রিকার সফল সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান ও দর্শনের নানা তত্ত্ব সহজবোধ্য করে তোলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮০৭-১৮৮৫ — এই সালটি মূলত মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনকাল নির্দেশ করে, তাই এটি অক্ষয়কুমার দত্তের জন্য সঠিক নয়। B) ১৮২০-১৮৮৬ — এই সালটি অক্ষয়কুমার দত্তের সঠিক জীবনকাল হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) ১৮০১-১৮৮০ — এই সময়সীমাটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবনকালের কাছাকাছি হলেও অক্ষয়কুমার দত্তের সঙ্গে মেলে না। D) ১৮২০-১৮৮৯ — এই অপশনের জন্মসাল ঠিক থাকলেও মৃত্যুসাল ভুল দেওয়া হয়েছে কারণ তিনি ১৮৮৯ সালে মারা যাননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - অক্ষয়কুমার দত্তের জন্ম ১৮২০ সালে এবং তিনি বিদ্যাসাগরের বন্ধু ও সহকর্মী ছিলেন। - তার অমর সৃষ্টি চারুপাঠ প্রকাশের সাল ও তার জীবনকাল বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উনিশ শতকের লেখকদের জন্ম ও মৃত্যুর সাল প্রায়ই আসে। - লেখক পরিচিতি পড়ার সময় সমসাময়িক লেখকদের জন্মসাল তুলনা করে পড়লে তা দীর্ঘস্থায়ী মনে থাকে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0