প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৮১৭ সালে
b ১৮৩০ সালে
c ১৮৩৩ সালে
d ১৮৩৯ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮৩০ সালে ১. কেন সঠিক: রাজা রামমোহন রায় বাংলার সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং মুঘল সম্রাটের পক্ষ হয়ে ব্রিটিশ সরকারের নিকট তার বিশেষ ভাতা বৃদ্ধির আবেদন জানাতে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার প্রাক্কালে মোঘল সম্রাট দ্বিতীয় আকবর তাকে রাজা উপাধিতে ভূষিত করেন। এই উপাধি প্রাপ্তির সালটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এবং ১৮৩০ সালটি তার যুক্তরাজ্য যাত্রার ঠিক আগের বছর হিসেবে ঐতিহাসিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রাজা রামমোহন রায় আধুনিক বাংলা গদ্যের অন্যতম জনক এবং বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচয়িতা হিসেবে পরিচিত। তিনি ১৮২৮ সালে ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং বাংলা সাহিত্যে সংবাদপত্রের প্রচলনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ কৌমুদী ব্যাখ্যা: এটি রাজা রামমোহন রায়ের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সাপ্তাহিক পত্রিকা যা সমাজ সংস্কারে ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: ব্রহ্মসঙ্গীত ব্যাখ্যা: ব্রাহ্মসমাজের উপাসনার জন্য রাজা রামমোহন রায় ও তার অনুসারীদের রচিত ও সংকলিত সঙ্গীতসমূহ এই নামে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮১৭ সালে — এই সালে রামমোহন রায় কলকাতার হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছিলেন কিন্তু রাজা উপাধি পাননি। B) ১৮৩০ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই মুঘল সম্রাট তাকে রাজা উপাধি প্রদান করেন। C) ১৮৩৩ সালে — এই সালে রাজা রামমোহন রায় ইংল্যান্ডের ব্রিস্টল শহরে মৃত্যুবরণ করেন। D) ১৮৩৯ সালে — এই সালে দ্বারকানাথ ঠাকুর ইংল্যান্ড ভ্রমণ করেন এবং এর সঙ্গে রাজা রামমোহন রায়ের উপাধি প্রাপ্তির কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: রামমোহন রায় রাজা উপাধি পান তিশ এর দশকের শুরুতে অর্থাৎ ১৮৩০ সালে, যখন তিনি বিলেত যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের বিকাশ এবং সমাজ সংস্কারক হিসেবে রাজা রামমোহন রায়ের জীবনকাল ও কর্মপন্থা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার সম্পাদিত পত্রিকা এবং রচিত গ্রন্থগুলোর নাম ও প্রকাশের সাল ভালোভাবে আয়ত্ত রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0