প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯১০ - ১৯৫০
b ১৯০১ - ১৯২১
c ১৯০১ - ১৯৪০
d ১৯০১ - ১৯৩০
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯০১ - ১৯৪০ ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে রবীন্দ্র যুগ হিসেবে ১৯০১ থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত সময়কালকে চিহ্নিত করা হয়। এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার বহুমুখী প্রতিভায় বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি এবং গীতাঞ্জলি প্রকাশের সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের রবীন্দ্র যুগের কেন্দ্রবিন্দু ধরা হয়। এই যুগের পরিধি সাধারণত ১৯০১ সালে শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা বা বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনাবসান পর্যন্ত ধরা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানসী কাব্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রোমান্টিক ধারার কাব্যগ্রন্থ যা রবীন্দ্র যুগের শুরুর দিকের সাহিত্যিক উৎকর্ষের নিদর্শন। উদাহরণ ২: শেষের কবিতা উপন্যাস ব্যাখ্যা: রবীন্দ্র যুগের পরিণত কাব্যাত্মক উপন্যাস যা আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক চেতনার প্রকাশ ঘটায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১০ - ১৯৫০ — এই সময়কালটি রবীন্দ্র যুগের পরিধিকে সঠিকটভাবে প্রকাশ করে না কারণ রবীন্দ্র যুগ ১৯০১ সাল থেকে শুরু হয়। B) ১৯০১ - ১৯২১ — এই সময়সীমাটি অনেক সংক্ষিপ্ত এবং এর মধ্যে রবীন্দ্র সাহিত্যের সম্পূর্ণ পরিপক্বতা ও উত্তর পর্ব অন্তর্ভুক্ত হয় না। D) ১৯০১ - ১৯৩০ — এই অপশনটিতে শেষ সীমা ১৯৩০ সাল বলা হয়েছে, যা রবীন্দ্র যুগের প্রকৃত সমাপ্তিকাল অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যু বছর ১৯৪১ এর কাছাকাছি ১৯৪০ সালের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্র যুগের ব্যাপ্তি মনে রাখার সহজ উপায় হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির আগের দশক থেকে শুরু করে তার জীবনকাল পর্যন্ত অর্থাৎ ১৯০১ থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত হিসাব করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাজনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একক আধিপত্যের সময়কালটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য লেখকের জীবনকাল এবং সাহিত্যিক ধারার সূচনা কাল মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0