প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯১৫ সালের ১ জুন
b ১৯১৫ সালের ২ জুন
c ১৯১৫ সালের ৩ জুন
d ১৯১৫ সালের ৫ জুন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯১৫ সালের ৩ জুন ১. কেন সঠিক: ব্রিটিশ সম্রাট পঞ্চম জর্জ ১৯১৫ সালের ৩ জুন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্যতম প্রধান সম্মানজনক নাইটহুড উপাধি প্রদান করেন। এই উপাধি পাওয়ার মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্ব দরবারে এক নতুন পরিচিতি লাভ করেন এবং এটি তাঁর আন্তর্জাতিক সাহিত্যিক খ্যাতির অন্যতম বড় স্বীকৃতি ছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক এবং বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ট প্রতিভা। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন এবং এর দুই বছর পর ব্রিটিশ সরকার তাঁকে নাইটহুড উপাধি দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগে ব্রিটিশ সৈন্যদের নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৫ সালে প্রাপ্ত নাইটহুড উপাধি বর্জন করেন। ব্যাখ্যা: এই বর্জনের মাধ্যমে তিনি ব্রিটিশ সরকারের বর্বরতার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন যা তাঁর দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। উদাহরণ ২: ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের অনুবাদের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ব্যাখ্যা: এই আন্তর্জাতিক সম্মান অর্জনের ফলেই মূলত ব্রিটিশ সরকারের নজরে আসেন এবং নাইটহুড উপাধিতে ভূষিত হন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৫ সালের ১ জুন — এই তারিখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নাইটহুড উপাধি দেওয়া হয়নি কারণ রাজকীয় ঘোষণা ও গেজেট প্রকাশের তারিখ ভিন্ন ছিল। B) ১৯১৫ সালের ২ জুন — এই তারিখটি ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী সঠিক নয় এবং ব্রিটিশ রাজদরবার এই দিনে উপাধি ঘোষণা করেনি। C) ১৯১৫ সালের ৩ জুন — এটি সঠিক ঐতিহাসিক তারিখ যেদিন ব্রিটিশ সম্রাট জন্মদিনের সম্মাননা হিসেবে এই উপাধি দেন। D) ১৯১৫ সালের ৫ জুন — এই তারিখটি ভুল কারণ ৩ জুন এই উপাধি প্রদানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও কার্যকারিতা শুরু হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পান ১৯১৩ সালে আর তার ঠিক দুই বছর পর ১৯১৫ সালের ৩ জুন পান নাইটহুড উপাধি। ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের পর তিনি সেই উপাধি আবার বর্জন করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে রবীন্দ্রনাথ কবে নাইটহুড পান এবং কেন তা বর্জন করেন। উপাধি পাওয়ার সাল ১৯১৫ এবং বর্জনের সাল ১৯১৯ মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0