প্রশ্নের বর্ণনা

a ৫টি
b ৩টি
c ৪টি
d ১টি
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় পরাশ্রয়ী বর্ণ হলো ৩টি। পরাশ্রয়ী বর্ণগুলো নিজে স্বাধীনভাবে পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না এবং অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য ছাড়া স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব বর্ণ অন্য কোনো বর্ণের ওপর নির্ভর করে বা আশ্রিত হয়ে ব্যবহৃত হয় তাদের পরাশ্রয়ী বর্ণ বলে। আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী এই বর্ণগুলো হলো অনুস্বার, বিসর্গ এবং চন্দ্রবিন্দু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বংশ শব্দটি পরাশ্রয়ী বর্ণ অনুস্বারের সাহায্যে গঠিত হয়েছে। এখানে অনুস্বার উ এর মতো উচ্চারিত হয়। ব্যাখ্যা: পরাশ্রয়ী বর্ণগুলো শব্দের মাঝে বা অন্তে বসে বিশেষ ধ্বনি তৈরি করে এবং অন্য বর্ণের পূর্ণ আশ্রয় নেয়। উদাহরণ ২: চাঁদ শব্দটি পরাশ্রয়ী বর্ণ চন্দ্রবিন্দুর সাহায্যে নাসিক্য ভবন বোঝায়। এখানে চন্দ্রবিন্দু স্বরবর্ণের অনুনাসিক উচ্চারণ নির্দেশ করে। ব্যাখ্যা: চন্দ্রবিন্দু স্বরধ্বনির ওপর বসে মুখ ও নাক দিয়ে বাতাস বের করে ধ্বনিটিকে অনুনাসিক করে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫টি — বাংলা বর্ণমালায় পরাশ্রয়ী বর্ণের সংখ্যা ৫টি নয়, কারণ স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মূল সংখ্যা ৫টি নয়। এই সংখ্যাটি ভুল এবং এটি অন্য কোনো ব্যাকরণিক সংখ্যার সাথে মিলে গেছে। B) ৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা বর্ণমালায় অনুস্বার, বিসর্গ এবং চন্দ্রবিন্দু এই তিনটি বর্ণই কেবল পরাশ্রয়ী বর্ণ হিসেবে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত। C) ৪টি — বাংলা বর্ণমালায় পরাশ্রয়ী বর্ণ ৪টি নয়, এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণের অন্য কোনো পরিমাপের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। D) ১টি — বাংলা বর্ণমালায় পরাশ্রয়ী বর্ণ মাত্র ১টি নয়, কারণ আমাদের বর্ণমালায় অন্তত তিনটি বর্ণ অন্যের ওপর নির্ভর করে বসে। ৫. মনে রাখার টিপস: পরাশ্রয়ী বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো অ-বি-চ বা অনুস্বার, বিসর্গ ও চন্দ্রবিন্দু। এই তিনটি বর্ণ সবসময় অন্য বর্ণের ঘাড়ে চড়ে বসে শব্দ তৈরি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পরাশ্রয়ী বর্ণের সংখ্যা বা নাম জানতে চাওয়া হয়। মনে রাখতে হবে ড বিন্দু র এবং ঢ বিন্দু র পরাশ্রয়ী বর্ণ নয়, এগুলো ব্যঞ্জনবর্ণের রূপভেদ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0