প্রশ্নের বর্ণনা

a ২০টি
b ২১টি
c ১৯টি
d ২২টি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০টি ১. কেন সঠিক: সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ নির্দিষ্ট সংখ্যায় নির্ধারিত থাকে এবং বাংলা ব্যাকরণে এগুলোর সংখ্যা বিশটি। এই উপসর্গগুলো সাধারণত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং শব্দের অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দাংশ মূল শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে এবং অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটায়, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে, যেমন সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ, খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার ব্যাখ্যা: এখানে 'প্র' একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা মূল ধাতু 'হার' এর পূর্বে বসে সম্পূর্ণ নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা: এখানে 'পরি' সংস্কৃত উপসর্গটি 'পূর্ণ' শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থকে জোরদার বা পূর্ণতা দান করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা ব্যাকরণে সংস্কৃত উপসাগরের নির্দিষ্ট সংখ্যা বিশটি। B) ২১টি — এই অপশনটি ভুল কারণ একুশটি কোনো নির্দিষ্ট উপসাগরের সংখ্যা নয়, এটি বাংলা ভাষায় প্রচলিত অন্য কোনো ব্যাকরণিক পদের সংখ্যা হতে পারে। C) ১৯টি — এই অপশনটি ভুল কারণ উনবিংশতি বা উনিশটি সংস্কৃত উপসাগরের সঠিক সংখ্যা নয়। D) ২২টি — এই অপশনটি ভুল কারণ বাইশটি সংখ্যাটি বাংলা বা সংস্কৃত কোনো উপসাগরের নির্ধারিত সংখ্যা নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত উপসাগর মনে রাখার জন্য বিশ সংখ্যাটি মুখস্থ রাখতে হবে কারণ বাংলা ব্যাকরণে তৎসম উপসর্গ সবসময় বিশটি হিসেবেই গণ্য করা হয়। উপসর্গ চেনার সহজ উপায় হলো এটি সবসময় শব্দের শুরুতে বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংস্কৃত এবং খাঁটি বাংলা উপসাগরের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ একাত্তরটি বা একুশটি কি না তা নিয়ে বিভ্রান্ত না হয়ে খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং সংস্কৃত উপসর্গ বিশটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0