প্রশ্নের বর্ণনা

a ৩২, ৮, ১০
b ৩২, ৭, ১১
c ৩০, ৮, ১২
d ৩২, ৭, ৯
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩২, ৮, ১০ ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। এই ৫০টি বর্ণের মাত্রা বিন্যাসের ওপর ভিত্তি করে এদের পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন—এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রা বর্ণের সংখ্যা ৩২টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ৬টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬টি। অর্ধমাত্রা বর্ণের সংখ্যা ৮টি, যার মধ্যে ১টি স্বরবর্ণ এবং ৭টি ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে। মাত্রাহীন বা মাত্রাবিহীন বর্ণের সংখ্যা ১০টি, যেখানে ৪টি স্বরবর্ণ এবং ৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ক, চ ব্যাখ্যা: এগুলো হলো পূর্ণমাত্রা বর্ণের কিছু পরিচিত উদাহরণ, যেগুলোর ওপর সম্পূর্ণ রেখা বা মাত্রা থাকে। উদাহরণ ২: ঋ, খ, গ, ণ ব্যাখ্যা: এগুলো হলো অর্ধমাত্রা বর্ণের উদাহরণ, যেগুলোর ওপর সম্পূর্ণ মাত্রা থাকে না, বরং অর্ধেক অংশ জুড়ে মাত্রা থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩২, ৮, ১০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ পূর্ণমাত্রা ৩২টি, অর্ধমাত্রা ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি রয়েছে। B) ৩২, ৭, ১১ — এই অপশনটি ভুল কারণ অর্ধমাত্রা ৭টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১১টি নয়, সঠিক সংখ্যা যথাক্রমে ৮টি এবং ১০টি। C) ৩০, ৮, ১২ — এই অপশনটি ভুল কারণ পূর্ণমাত্রা বর্ণ ৩০টি নয়, বরং সঠিক সংখ্যা হলো ৩২টি। D) ৩২, ৭, ৯ — এই অপশনটি ভুল কারণ অর্ধমাত্রা ৭টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ৯টি নয়, সঠিক সংখ্যা যথাক্রমে ৮টি এবং ১০টি। ৫ মনে রাখার টিপস: বর্ণগুলোর সংখ্যা মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো ৩২ যোগ ৮ যোগ ১০ সমান ৫০ সূত্রটি মনে রাখা। পূর্ণমাত্রা ৩২, অর্ধমাত্রা ৮ এবং মাত্রাহীন ১০ যোগ করলে মোট ৫০টি বর্ণ পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা বর্ণমালার মাত্রা সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। স্বতন্ত্রভাবে স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের মাত্রা আলাদা করেও অনেক সময় প্রশ্ন করা হয়, তাই মোট সংখ্যাগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0