প্রশ্নের বর্ণনা

a ৫০টি
b ৫৬টি
c ৪৮টি
d ৩৮টি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট মৌলিক বর্ণের সংখ্যা ৫০টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ধ্বনিকে প্রকাশ করার জন্য যে লিখিত প্রতীক ব্যবহার করা হয় তাকে বর্ণ বলে। বাংলা বর্ণমালার এই ৫০টি বর্ণ মিলিতভাবে ভাষা লেখার কাজ সম্পন্ন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বরবর্ণ ১১টি (অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ)। ব্যাখ্যা: এগুলি স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে এবং অন্য বর্ণের সাহায্য নেয় না। উদাহরণ ২: ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি (ক থেকে হ পর্যন্ত)। ব্যাখ্যা: এগুলি স্বরবর্ণের সাহায্য ছাড়া স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হতে পারে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫০টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ রয়েছে। B) ৫৬টি — এটি ভুল কারণ ৫৬টি বর্ণ বাংলা বর্ণমালার কোনো প্রমিত সংখ্যা নয়, এটি অতিরিক্ত বর্ণ গণনার ভুল ধারণা। C) ৪৮টি — এটি ভুল কারণ ৪৮টি কোনো গ্রহণযোগ্য মানদণ্ডে বাংলা বর্ণমালার মোট সংখ্যা হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) ৩৮টি — এটি ভুল কারণ ৩৮টি বর্ণ বাংলা বর্ণমালার সঠিক মোট সংখ্যা নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: মনে রাখার সহজ উপায় হলো ১১ যোগ ৩৯ সমান ৫০। স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১ এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ৩৯। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ কয়টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ কয়টি আলাদাভাবে তা জেনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। মোট সংখ্যা ৫০টি এবং স্বরবর্ণ ১১টি ও ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি এই বিভাজনটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0