প্রশ্নের বর্ণনা

a ১০টি
b ১১টি
c ১২টি
d ৩৯টি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১টি ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি হলেও লিখিত বা প্রমিত বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১টি। - অ থেকে ঔ পর্যন্ত এই এগারোটি বর্ণ স্বরবর্ণ হিসেবে বাংলা ব্যাকরণে সর্বস্বীকৃত ও প্রমিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বর্ণগুলো অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য ছাড়া নিজেই পূর্ণভাবে উচ্চারিত হতে পারে এবং অন্য বর্ণের উচ্চারণে সাহায্য করে, তাকে স্বরবর্ণ বলে। - বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ৩৯টি, যা মিলিয়ে মোট বর্ণসংখ্যা ৫০টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার সম্পূর্ণ এগারোটি লিখিত স্বরবর্ণের তালিকা। উদাহরণ ২: স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলা হয় ব্যাখ্যা: স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ দশটি, কারণ অ বর্ণটির কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০টি — এটি ভুল কারণ স্বরবর্ণ ১০টি নয়, বরং ১১টি এবং ঋ কার বাদ দিলে কার চিহ্ন হয় ১০টি। B) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা ঠিক ১১টি। C) ১২টি — এটি ভুল কারণ প্রাচীন বা অন্য কোনো রীতিতে ১২টি স্বরবর্ণ থাকলেও প্রমিত বাংলা বর্ণমালায় ১২টি স্বরবর্ণ নেই। D) ৩৯টি — এটি ভুল কারণ ৩৯টি হলো বাংলা বর্ণমালার ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা, স্বরবর্ণের সংখ্যা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বরবর্ণ এগারোটি মনে রাখতে মনে রেখো অ থেকে ঔ পর্যন্ত মোট বর্ণ ১১টি। - ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি এবং স্বরবর্ণ ১১টি যোগ করলে মোট ৫০টি বর্ণ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা আলাদাভাবে জানতে চাওয়া হয়। - স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি এই সংখ্যা দুটি ভালোভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0