প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৩টি
b ১১টি
c ৪৯টি
d ৩৯টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৯টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। যেসব বর্ণ উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস মুখবিবরের কোথাও না কোথাও বাধা পায় এবং উচ্চারণের জন্য স্বরবর্ণের সাহায্য নিতে হয়, তাদের ব্যঞ্জনবর্ণ বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বাংলা বর্ণমালার মূল বর্ণ দুটি ভাগে বিভক্ত। স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি মিলে মোট ৫০টি বর্ণ প্রমিত বাংলা ভাষায় স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক, খ, গ, ঘ, ঙ ব্যাখ্যা: এগুলো কণ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ যা মুখবিবরের কণ্ঠনালি থেকে উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: প, ফ, ব, ভ, ম ব্যাখ্যা: এগুলো ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ যা দুই ঠোঁটের সাহায্যে উচ্চারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩টি — এটি বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণের প্রাচীন বা অতিরিক্ত ঐতিহ্যিক সংখ্যা নয়, এটি ভুল তথ্য। B) ১১টি — এটি বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণের সংখ্যা, ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা নয়। C) ৪৯টি — এটি ভুল সংখ্যা, কারণ বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ রয়েছে। D) ৩৯টি — এটি সঠিক তথ্য এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী ব্যঞ্জনবর্ণের সঠিক সংখ্যা। ৫ মনে রাখার টিপস: মোট বর্ণ ৫০টি থেকে স্বরবর্ণ ১১টি বাদ দিলেই ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি পাওয়া যায়। ৫০ বিয়োগ ১১ সমান ৩৯ এই সহজ সূত্রটি মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মোট মৌলিক ধ্বনি ৩৭টি, যার মধ্যে স্বরধ্বনি ৭টি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি। পরীক্ষায় বর্ণ এবং ধ্বনির সংখ্যা নিয়ে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তাই দুটি আলাদাভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0