প্রশ্নের বর্ণনা

a ৯ চরণ
b ৬ চরণ
c ৮ চরণ
d ৪ চরণ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ চরণ ১. কেন সঠিক: আমাদের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা কবিতার প্রথম চার চরণ নির্দিষ্ট করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় বা সরকারি অনুষ্ঠান এবং উৎসবে এই প্রথম চার চরণ বা চার লাইন বাজানো হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই গানটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এটি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছিল এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পর জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি। ব্যাখ্যা: এটি জাতীয় সংগীতের প্রথম চরণ বা লাইন। উদাহরণ ২: চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি। ব্যাখ্যা: এটি জাতীয় সংগীতের দ্বিতীয় চরণ বা লাইন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ চরণ — এই সংখ্যাটি জাতীয় সংগীতের বিধানের সঙ্গে মেলে না। B) ৬ চরণ — জাতীয় সংগীতের প্রথম ছয় চরণ বাজানোর কোনো নিয়ম সংবিধানে বা রাষ্ট্রীয় বিধমালায় নেই। C) ৮ চরণ — জাতীয় সংগীতের প্রথম আট চরণ সম্পূর্ণ গাওয়ার নিয়ম থাকলেও অনুষ্ঠানে বাজানোর জন্য তা প্রযোজ্য নয়। D) ৪ চরণ — এটি সঠিক কারণ রাষ্ট্রীয় বা আনুষ্ঠানিক উৎসবে জাতীয় সংগীতের প্রথম চার চরণ বাজানো বাধ্যতামূলক। ৫ মনে রাখার টিপস: উৎসব ও অনুষ্ঠানে বাজানো হয় চার চরণ আর সম্পূর্ণ গাওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম আট চরণ প্রযোজ্য। এই পার্থক্য মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতীয় সংগীতের গীতিকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং সুরকারও তিনি নিজে। এটি আমাদের জাতীয় জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0