প্রশ্নের বর্ণনা

a ৩৫টি
b ৩৭টি
c ৩৯টি
d ৪১টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৯টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের ভেতরে কোথাও না কোথাও বাধা প্রাপ্ত হয়ে যে বর্ণগুলো উচ্চারিত হয়, সেগুলোকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ব্যঞ্জনবর্ণের মোট সংখ্যা ৩৯টি যা ক থেকে চন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত বিস্তৃত। বর্ণগুলো হলো ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ ত থ দ ধ ন প ফ ব ভ ম য র ল শ ষ স হ ড় ঢ় য় ৎ ং ঃ ঁ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ক, ল ও ম তিনটি ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে যা মুখবিবরে বাধা পেয়ে উচ্চারিত হয়েছে। উদাহরণ ২: নদী ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ন ও দ ব্যঞ্জনবর্ণের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৫টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ৩৫টি নয়, ৩৯টি। B) ৩৭টি — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালার মৌলিক স্বরধ্বনি বা অন্য কোনো বর্ণসংখ্যার সাথে এটি মিলে না। D) ৪১টি — এটি ভুল কারণ বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি এবং এর সাথে স্বরবর্ণ ১১টি যোগ করলে মোট বর্ণ ৫০টি হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মোট বর্ণ ৫০টি থেকে স্বরবর্ণ ১১টি বিয়োগ করলে ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি পাওয়া যায়। ৫০ বিয়োগ ১১ সমান ৩৯ এই সহজ সূত্রটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি এবং স্বরবর্ণ ১১টি এই তথ্যগুলো প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা মনে রাখলে মোট বর্ণ ও স্বরবর্ণের হিসাব সহজেই বের করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0