প্রশ্নের বর্ণনা

a ২ প্রকার
b ৩ প্রকার
c ৪ প্রকার
d ৫ প্রকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রকার ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি প্রধান উৎসের ভিত্তিতে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এই তিন প্রকার উপসর্গ হলো তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ, খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দাংশ মূল শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠন করে এবং শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটায়, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। বাংলা ভাষায় মোট ২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ, ২০টি তৎসম উপসর্গ এবং বেশ কিছু বিদেশি উপসর্গ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনা বৃষ্টি = অনাবৃষ্টি। ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ বৃষ্টির পূর্বে খাঁটি বাংলা অনা উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক নতুন শব্দ গঠন করেছে। উদাহরণ ২: পরি পূর্ণ = পরিপূর্ণ। ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ পূর্ণের পূর্বে তৎসম পরি উপসর্গ যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থের পূর্ণতা সাধন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ প্রকার — উপসর্গ প্রধানত দুই প্রকার নয়, কারণ বাংলা ভাষায় দেশি, তৎসম ছাড়াও বিদেশি উপসর্গও সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। B) ৩ প্রকার — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ উৎস অনুযায়ী বাংলা উপসর্গ প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত। C) ৪ প্রকার — উপসর্গ চার প্রকার নয়, কারণ বাংলা ব্যাকরণে চার ধরনের উপায়ের কথা বলা হলেও উপসাগরীয় শ্রেণিবিন্যাস তিনটি। D) ৫ প্রকার — বাংলা ভাষায় উপসর্গ পাঁচ প্রকার নয়, এই সংখ্যাটি সঠিক ব্যাকরণিক শ্রেণিবিভাগের সাথে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: উপসর্গ কয় প্রকার তা মনে রাখার জন্য তৎ-বাংলা-বিদেশি এই তিনটি উৎস মাথায় রাখবে। তৎসম, খাঁটি বাংলা এবং বিদেশি, এই তিন ভাগে পুরো উপসর্গ জগত বিভক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং তৎসম উপসর্গ কুড়িটি, যা প্রায়ই পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক প্রশ্ন হিসেবে আসে। উপসর্গ সবসময় শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে, এটি প্রত্যয়ের উল্টো কাজ করে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0