প্রশ্নের বর্ণনা

a ২ প্রকার
b ৩ প্রকার
c ৪ প্রকার
d ৫ প্রকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ প্রকার ১. কেন সঠিক: - গঠন অনুসারে বাক্য প্রধানত দুই প্রকার, যথা সরল বাক্য এবং জটিল বা মিশ্র বাক্য ও যৌগিক বাক্য। প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী বাংলা বাক্যের গঠনগত শ্রেণিবিভাগ দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়, যেখানে সরল বাক্য এক পক্ষে এবং অন্য পক্ষে মিশ্র বা জটিল ও যৌগিক বাক্যকে একত্রিত করে মূলত দুই প্রধান গঠন রূপ ধরা হয়। - বাক্যের গঠন বলতে পদ বা খণ্ডবাক্যের বিন্যাসকে বোঝায়, যার ওপর ভিত্তি করে বাক্য কীভাবে গঠিত হয়েছে তা নির্ধারিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গঠন অনুসারে বাক্য মূলত সরল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য এই দুই ভাগে প্রধানত বিভক্ত, আবার অনেক ব্যাকরণবিদের মতে তা তিন প্রকার (সরল, জটিল ও যৌগিক)। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠনভেদে বাক্য দুই প্রকার হিসেবেই বেশি গ্রহণযোগ্য। - সরল বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, আর যৌগিক বা মিশ্র বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য বা পদ সংযুক্ত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য উদিত হলে অন্ধকার দূর হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি সরল বাক্য কারণ এখানে একটিমাত্র কর্তা এবং একটি সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। উদাহরণ ২: সে গরিব কিন্তু সৎ। ব্যাখ্যা: এটি যৌগিক বাক্যের উদাহরণ যেখানে দুটি স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ প্রকার — এটি সঠিক কারণ প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে গঠন অনুসারে বাক্য প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত। B) ৩ প্রকার — এই অপশনটি অর্থ বা অন্য কোনো বিভাগের সাথে মিলে যেতে পারে কিন্তু গঠন অনুসারে প্রধান বিভাজন দুই প্রকার। C) ৪ প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে গঠন অনুসারে বাক্যের কোনো চার প্রকারের শ্রেণিবিভাগ নেই। D) ৫ প্রকার — এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য গঠনের প্রকারের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গঠন অনুসারে বাক্য মনে রাখার সহজ উপায় হলো সরল এবং জটিল বা যৌগিক এই মূল বিভাজনটি মাথায় রাখা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গঠনগত প্রশ্ন এলে দুই প্রকার বা তিন প্রকারের অপশনগুলো ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্য প্রকরণ থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বাক্যের অর্থগত এবং গঠনগত পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0