প্রশ্নের বর্ণনা

a ২০ -এর উপরে
b ৩০ -এর উপরে
c ৫০ -এর উপরে
d ৬০ -এর উপরে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬০ -এর উপরে ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং গবেষণা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। এর একটি অন্যতম প্রধান কাজ হলো প্রমিত অভিধান প্রণয়ন করা এবং এই পর্যন্ত একাডেমি ৬০ -এর উপরে বিভিন্ন ধরনের জাতীয় অভিধান প্রকাশ করেছে। ২. সাহিত্য ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমি বাংলাদেশের একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান যা ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ভাষা ও সাহিত্যের উন্নয়নে কাজ করে। এই প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ অভিধান ছাড়াও পরিভাষা, আঞ্চলিক শব্দকোষ, ইংরেজি-বাংলা এবং বিশেষায়িত বিভিন্ন অভিধান প্রকাশ করেছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা একাডেমী ব্যবহারিক বাংলা অভিধান ব্যাখ্যা: এটি বাংলা একাডেমির প্রকাশিত অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রমিত একটি অভিধান যা সাধিত শব্দের অর্থের জন্য বহুল ব্যবহৃত। উদাহরণ ২: বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা বানানরীতি ব্যাখ্যা: অভিধান প্রণয়নের পাশাপাশি বাংলা বানান প্রমিতকরণের ক্ষেত্রেও বাংলা একাডেমির এই প্রকাশনাটি সর্বজনস্বীকৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ -এর উপরে — এই সংখ্যাটি বাংলা একাডেমির প্রকাশিত মোট অভিধানের সংখ্যার তুলনায় অনেক কম তাই এটি ভুল। B) ৩০ -এর উপরে — এই সংখ্যাটিও প্রকৃত পরিসংখ্যানের তুলনায় কম কারণ একাডেমির প্রকাশনা এর চেয়ে অনেক বেশি। C) ৫০ -এর উপরে — যদিও এর কাছাকাছি, তবে সঠিক ও হালনাগাদ প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য অনুযায়ী প্রকাশিত অভিধানের সংখ্যা ৬০ -এর উপরে। D) ৬০ -এর উপরে — এই তথ্যটি সঠিক কারণ বাংলা একাডেমি এ পর্যন্ত ৬০ -এর অধিক বিভিন্ন ধরনের অভিধান ও শব্দকোষ প্রকাশ করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা একাডেমি মানেই বিশাল বিশাল কাজ, তাই অভিধানের সংখ্যাও বড় অর্থাৎ ৬০ -এর উপরে মনে রাখতে হবে। প্রতিষ্ঠানের কাজের পরিধি যত বেশি, তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যাও তত বেশি হবে এই ধারণাটি মাথায় রাখা ভালো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠার সাল এবং এর প্রথম মহাপরিচালক বা সভাপতির নাম জেনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। একাডেমি থেকে প্রকাশিত প্রমিত বানানরীতি ও অভিধান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0