প্রশ্নের বর্ণনা

a ৪টি
b ৩টি
c ৫টি
d ৬টি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩টি ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে সামগ্রিকভাবে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে। যুগগুলো হলো প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ এবং আধুনিক যুগ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও ডক্টর সুনীতি চট্টোপাধ্যায়সহ প্রধান সাহিত্য গবেষকগণ বাংলা সাহিত্যের কালকালকে এই তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করেছেন। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ শুরু হয়েছে ৬৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে, মধ্যযুগ ১২০১ থেকে এবং আধুনিক যুগ ১৮০১ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্দেশক ও প্রথম সাহিত্যকর্ম। ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন যুগের ভাষা ও সমাজচিত্র বুঝতে সাহায্য করে এবং বাংলা সাহিত্যের সূচনার ঐতিহাসিক প্রমাণ। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি অন্যতম নিদর্শন। ব্যাখ্যা: বড়ু চণ্ডীদাস রচিত এই কাব্য মধ্যযুগের বৈষ্ণব ভাবধারা ও সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক দলিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪টি — বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ সাধারণত তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত, চারটি নয়। B) ৩টি — এটি সঠিক কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস তিনটি প্রধান যুগে বিভক্ত। C) ৫টি — বাংলা সাহিত্যের প্রধান যুগ পাঁচটি নয়, মধ্যযুগের উপবিভাগ থাকতে পারে কিন্তু মূল যুগ তিনটি। D) ৬টি — ছয়টি সংখ্যাটি বাংলা সাহিত্যের প্রধান যুগবিভাগের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখার সহজ উপায় হলো মানুষের জীবনের তিনটি প্রধান পর্যায় শৈশব, কৈশোর ও বার্ধক্য এর মতো বাংলা সাহিত্যও প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক এই তিন ভাগে বিভক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের ব্যাপ্তিকাল ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই কালসীমা থেকে প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0