প্রশ্নের বর্ণনা

a ৩য়া তৎপুরুষ
b ৪র্থী তৎপুরুষ
c ৫মী তৎপুরুষ
d ৭মী তৎপুরুষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪র্থী তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - সমাসবদ্ধ পদটি হলো হজযাত্রা, যার ব্যাসবাক্য হলো হজের উদ্দেশ্যে যাত্রা। - এখানে নিমিত্ত বা উদ্দেশ্যে অর্থ বোঝাতে চতুর্থী বিভক্তি ও অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি অথবা কে, রে, জন্য, নিমিত্ত ইত্যাদি চতুর্থী বিভক্তির অনুসর্গ লোপ পায়, তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে। - এখানে হজের নিমিত্ত যাত্রা সমাসবদ্ধ হওয়ার সময় নিমিত্ত অনুসর্গটি লোপ পেয়ে হজযাত্রা শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুরুভক্তি ব্যাখ্যা: গুরুর উদ্দেশ্যে ভক্তি, এখানে নিমিত্ত বা উদ্দেশ্যে অর্থ প্রকাশের কারণে এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: আরামকেদারা ব্যাখ্যা: আরামের নিমিত্ত কেদারা, এখানে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের নিয়মে নিমিত্ত পদটি লোপ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩য়া তৎপুরুষ — ৩য়া তৎপুরুষ সমাসে দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক অনুসর্গ লোপ পায়, যা এই শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) ৪র্থী তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে নিমিত্ত বা উদ্দেশ্যে অর্থ প্রকাশিত হয়েছে। C) ৫মী তৎপুরুষ — ৫মী তৎপুরুষ সমাসে হতে, থেকে, চেয়ে পঞ্চমী বিভক্তি বা অনুসর্গ লোপ পায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) ৭মী তৎপুরুষ — ৭মী তৎপুরুষ সমাসে এ, তে, পর সপ্তমী বিভক্তি লোপ পায়, যা এই শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো সমাসবদ্ধ পদে যদি জন্য, উদ্দেশ্যে বা নিমিত্ত অর্থ প্রকাশ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিমিত্ত বা উদ্দেশ্যে অর্থবোধক সমাস প্রায়ই আসে, তাই এ ধরনের শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0