প্রশ্নের বর্ণনা

a ৫ ভাগে
b ৬ ভাগে
c ৭ ভাগে
d ৮ ভাগে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ ভাগে ১. কেন সঠিক: উচ্চারণ স্থানের নামানুসারে বাংলা ব্যঞ্জনধ্বনিগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে বা গুচ্ছবর্গে ভাগ করা হয়। মুখের ভেতরের বিভিন্ন উচ্চারণ অঙ্গের স্পর্শ বা প্রভাবে ধ্বনিগুলো এই পাঁচটি ভাগে বিভক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি ধ্বনিকে স্পর্শ ধ্বনি বা বর্গীয় ধ্বনি বলা হয়। এই পঁচিশটি ধ্বনিকে উচ্চারণের স্থান ও অঙ্গের ভিত্তিতে পাঁচটি বর্গে ভাগ করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক খ গ ঘ ঙ ব্যাখ্যা: এই ধ্বনিগুলোর উচ্চারণ স্থান কণ্ঠ বা জিহ্বামূল, তাই একে কণ্ঠ্য ধ্বনি বা ক-বর্গ বলা হয়। উদাহরণ ২: প ফ ব ভ ম ব্যাখ্যা: এই ধ্বনিগুলোর উচ্চারণ স্থান ওষ্ঠ বা ঠোঁট, তাই একে ওষ্ঠ্য ধ্বনি বা প-বর্গ বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ ভাগে — এটি সঠিক কারণ বাংলা ব্যঞ্জনধ্বনির বর্গীয় ধ্বনিগুলোকে কণ্ঠ, তালু, মূর্ধা, দন্ত ও ওষ্ঠ এই পাঁচটি প্রধান উচ্চারণ স্থানে ভাগ করা হয়েছে। B) ৬ ভাগে — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলা ব্যাকরণে উচ্চারণ স্থানের প্রধান বিভাগ পাঁচটি নির্ধারিত আছে। C) ৭ ভাগে — এটি ভুল তথ্য কারণ ধ্বনিবিজ্ঞানে বাংলা ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণ স্থান সাতটি ভাগে প্রমিতভাবে বিভক্ত নয়। D) ৮ ভাগে — এই অপশনটি সম্পূর্ণ অমূলক কারণ বাংলা বর্ণমালার বর্গীয় ধ্বনিগুলোর ক্ষেত্রে আটটি ভাগের কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: পাঁচটি প্রধান উচ্চারণ স্থান মনে রাখার সহজ সূত্র হলো কণ্ঠ, তালু, মূর্ধা, দন্ত ও ওষ্ঠ। ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি বর্ণ ঠিক এই পাঁচটি ভাগে সমানভাবে বিন্যস্ত থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ক-বর্গ বা চ-বর্গের উচ্চারণ স্থান সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। উচ্চারণের স্থান ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পারলে ধ্বনি পরিবর্তন ও বর্ণমালা সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0