প্রশ্নের বর্ণনা

a ৭টি
b ১০টি
c ৯টি
d ৮টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে যে বর্ণগুলোর উপরে সম্পূর্ণ মাত্রা বা রেখা থাকে না, বরং সামান্য অংশ বা অর্ধমাত্রা যুক্ত থাকে, সেগুলোকে অর্ধমাত্রার বর্ণ বলা হয়। বাংলা বর্ণমালায় এই অর্ধমাত্রার বর্ণের সংখ্যা আটটি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ৭টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। এই ৫০টি বর্ণকে মাত্রার দিক থেকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে, যেমন পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। অর্ধমাত্রার বর্ণগুলো লেখার সময় বর্ণের ওপরের অংশে আংশিক মাত্রা ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঋ ব্যাখ্যা: ঋ স্বরবর্ণের অন্তর্ভুক্ত একটি অর্ধমাত্রার বর্ণ যা লেখার সময় সামান্য মাত্রা ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: খ ব্যাখ্যা: খ ব্যঞ্জনবর্ণের অন্তর্ভুক্ত একটি অর্ধমাত্রার বর্ণ যার ওপরের অংশে পূর্ণ মাত্রা থাকে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭টি — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ ৭টি নয়, বরং ৮টি। B) ১০টি — এটি ভুল কারণ ১০টি হলো বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা, অর্ধমাত্রার সংখ্যা নয়। C) ৯টি — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় এমন কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত মানদণ্ডে ৯টি অর্ধমাত্রার বর্ণ নেই। D) ৮টি — এটি সঠিক অপশন এবং বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী অর্ধমাত্রার বর্ণের সঠিক সংখ্যা আটটি। ৫ মনে রাখার টিপস: মাত্রার হিসাব সহজে মনে রাখার একটি দারুণ কৌশল হলো ৩২ যোগ ১০ যোগ ৮ সমান ৫০। এখানে ৩২ হলো পূর্ণমাত্রা, ১০ হলো মাত্রাহীন এবং ৮ হলো অর্ধমাত্রা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। তাই এই তিনটি সংখ্যা আলাদাভাবে মুখস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0