প্রশ্নের বর্ণনা

a ২ প্রকার
b ৩ প্রকার
c ৮ প্রকার
d ৯ প্রকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯ প্রকার ১. কেন সঠিক: - তৎপুরুষ সমাস সাধারণত প্রধানত ছয় প্রকার হলেও, বিভক্তি ও অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বাংলা ব্যাকরণে এর মোট প্রকারভেদ নয়টি ধরা হয়। - পূর্বপদের দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী বিভক্তি লোপ পেয়ে এবং নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়া অনুযায়ী এর বিভিন্ন শ্রেণি রয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - এর প্রকারভেদগুলো হলো দ্বিতীয়া তৎপুরুষ, তৃতীয়া তৎপুরুষ, চতুর্থী তৎপুরুষ, পঞ্চমী তৎপুরুষ, ষষ্ঠী তৎপুরুষ, সপ্তমী তৎপুরুষ, নঞ্ তৎপুরুষ, উপপদ তৎপুরুষ এবং অলুক তৎপুরুষ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত ব্যাখ্যা: এটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে কে বিভক্তি লোপ পেয়েছে। উদাহরণ ২: মন দিয়ে গড়া = মনে গড়া ব্যাখ্যা: এটি তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে দ্বারা বা দিয়ে বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ প্রকার — তৎপুরুষ সমাস দুই প্রকার নয়, কারণ এটি সমাসের একটি প্রধান শ্রেণি এবং এর নিজস্ব বহু উপবিভাগ রয়েছে। B) ৩ প্রকার — তৎপুরুষ সমাস তিন প্রকার নয়, বাংলা ব্যাকরণে সমাসের প্রধান চারটির মধ্যে এটি একটি এবং এর বিস্তৃতি অনেক বেশি। C) ৮ প্রকার — তৎপুরুষ সমাস আট প্রকার নয়, ঐতিহ্যগত ও প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী এর মোট সংখ্যা নয়টি। D) ৯ প্রকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তৎপুরুষ সমাসের মোট প্রকারভেদ নয়টি হিসেবে স্বীকৃত। ৫ মনে রাখার টিপস: - তৎপুরুষ সমাসের সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন যে এর প্রকারভেদ সংখ্যাটি স্বরবর্ণের শেষ সংখ্যা নয় এর সঙ্গে মিলে যায়। - বিভক্তির নামগুলোর সঙ্গে নঞ্, উপপদ ও অলুক যোগ করে সহজে নয়টি প্রকার মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎপুরুষ সমাসের মোট প্রকারভেদ কত তা জানতে চাওয়া হয়। - সমাস নির্ণয়ের সময় পূর্বপদের বিভক্তি চেনা অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0