প্রশ্নের বর্ণনা

a ক্ষতিকর
b উপকারী
c কৃতজ্ঞ
d অকৃতজ্ঞ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কৃতজ্ঞ ১. কেন সঠিক: - 'কৃতঘ্ন' শব্দের অর্থ যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না বা ভুলে যায়। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'কৃতজ্ঞ', যার অর্থ যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে বা মনে রাখে। - বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব এবং অর্থের বিপরীত দিকটি বিবেচনা করতে হয়, যেখানে অকৃতজ্ঞতা প্রকাশের উল্টো পিঠ হলো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। একটি শব্দের ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশকারী শব্দটিকে তার বিপরীতার্থক শব্দ বলা হয়। - বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ গঠিত হয়, যেখানে 'কৃতঘ্ন' ও 'কৃতজ্ঞ' উভয়ই বিশেষণ পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুগ্ধ তার বিপদের দিনে যে সাহায্য করেছিল, সে আজীবন তার কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে। ব্যাখ্যা: এখানে উপকার স্বীকার করার ভাব প্রকাশ করতে কৃতজ্ঞ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মানুষের উপকার নিয়ে যারা তা অস্বীকার করে, সমাজ তাদের অকৃতজ্ঞ ও ক্ষতিকর বলে গণ্য করে। ব্যাখ্যা: এটি কৃতজ্ঞতার বিপরীত অবস্থা অর্থাৎ উপকার না মানার ভাব প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষতিকর — এর অর্থ যা ক্ষতি করে। এটি কৃতজ্ঞ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) উপকারী — এর অর্থ যে উপকার করে। এটি কৃতজ্ঞ শব্দের সমর্থক বা কাছাকাছি অর্থ হতে পারে, বিপরীতার্থক নয়। C) কৃতজ্ঞ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি উপকারীর উপকার স্বীকার করার অর্থ প্রকাশ করে। D) অকৃতজ্ঞ — এর অর্থ যে কৃতজ্ঞ নয়। এটি কৃতজ্ঞ শব্দের বিপরীত হলেও 'কৃতঘ্ন' শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কৃতজ্ঞ মানে গুণ বা উপকার যে জ্ঞাপন বা মনে রাখে। আর ঘ্ন বা হীন মানে যা নষ্ট করে, তাই কৃতঘ্ন মানে উপকার নষ্টকারী। - কৃতজ্ঞ এবং অকৃতজ্ঞ সমার্থক, অন্যদিকে কৃতজ্ঞ এবং কতৃঘ্ন পরস্পর বিপরীত শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃতজ্ঞ ও অকৃতজ্ঞ শব্দ দুটি প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করতে অপশনে রাখা হয়। মূল শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। - সমার্থক ও বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি বাক্যে প্রয়োগের মাধ্যমে অনুশীলন করলে পরীক্ষাকলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0