প্রশ্নের বর্ণনা

a দুই খণ্ডে
b তিন খণ্ডে
c চার খণ্ডে
d অখণ্ড কাব্য
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিন খণ্ডে ১. কেন সঠিক: চণ্ডীমঙ্গল কাব্য মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন এবং এটি সাধারণত তিনটি প্রধান খণ্ডে বিভক্ত থাকে। এই খণ্ডগুলো হলো আখেটিক খণ্ড, বণিক খণ্ড এবং দেব খণ্ড বা সৃষ্টি খণ্ড, যেখানে বিভিন্ন দেবতার মহিমা ও লৌকিক কাহিনীর বিস্তার ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম প্রধান কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর রচিত কবিকঙ্কণ চণ্ডীমঙ্গল বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। এই কাব্যে দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের পাশাপাশি ষোল শতকের গ্রামীণ বাংলার সমাজচিত্র, জনজীবন ও অর্থনীতির বাস্তব রূপ ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল ব্যাখ্যা: এটি তিন খণ্ডে বিভক্ত মঙ্গলকাব্যের সবচেয়ে প্রামাণ্য ও জনপ্রিয় উদাহরণ হিসেবে পরিচিত। উদাহরণ ২: দ্বিজ মাধবের চণ্ডীমঙ্গল ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের চণ্ডীমঙ্গল ধারার অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ রচনা যা এই ধারার ঐতিহ্য বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই খণ্ডে — চণ্ডীমঙ্গল কাব্য দুটি খণ্ডে বিভক্ত নয়, কারণ এর মূল কাহিনী কাঠামো তিনটি প্রধান ভাগে বিন্যস্ত। B) তিন খণ্ডে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি তিনটি খণ্ড নির্দেশ করে। C) চার খণ্ডে — চণ্ডীমঙ্গল কাব্য কখনো চারটি খণ্ডে বিভক্ত হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত নয়। D) অখণ্ড কাব্য — চণ্ডীমঙ্গল একক বা অখণ্ড কোনো কাব্য নয়, বরং এটি একাধিক খণ্ডে বিভক্ত একটি পূর্ণাঙ্গ মঙ্গলকাব্য। ৫ মনে রাখার টিপস: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের খণ্ড সংখ্যা মনে রাখতে ত্রিভুজ বা তিন সংখ্যাটি মাথায় রাখতে পারো, কারণ এর খণ্ডও তিনটি। আখেটিক, বণিক ও দেব খণ্ড এই তিনটি ভাগে চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কাহিনী সম্পূর্ণ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মঙ্গলকাব্যের শাখা ও খণ্ড সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন আসে। মনসামঙ্গল বা ধর্মমঙ্গল কাব্যের ভাগের সাথে চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের খণ্ড সংখ্যা গুলিয়ে ফেলা যাবে না।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0