প্রশ্নের বর্ণনা

a অগ্নুৎ+পাত
b অগ্নি+পাত
c অগ্নি+উৎপাত
d অগ্নী+উৎপাত
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অগ্নি+উৎপাত ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী প্রথম পদের শেষে ই-কার এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে উ-কার থাকলে উভয়ে মিলে য-ফলা এবং উকারযুক্ত হয়। - এখানে অগ্নি শব্দের শেষের ই-কারের সঙ্গে উৎপাত শব্দের শুরুর উ-কারের মিলন ঘটে সঠিক সন্ধি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কারের স্থানে য-ফলা হয় এবং পরবর্তী স্বরধ্বনিটি যুক্ত হয়। - এটি বাংলা ব্যাকরণের ই-কার বা ঈ-কারের পর স্বরধ্বনি থাকলে তা য-ফলাে পরিণত হওয়ার একটি ধ্রুপদী নিয়ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি + অপি = যদিাপি ব্যাখ্যা: ই-কারের পর অ-কার থাকার কারণে ই-কার য-ফলাে রূপান্তরিত হয়ে এই সন্ধি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: নদী + উদয় = নদুদয় ব্যাখ্যা: দীর্ঘঈ-কারের পর উ-কার যুক্ত হয়ে এখানে উ-কারসহ য-ফলার নিয়ম কার্যকর হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নুৎ+পাত — এই অপশনটি ভুল কারণ অগ্নুৎ বলে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা সঠিক মূল শব্দ বাংলা ব্যাকরণে নেই। B) অগ্নি+পাত — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে দ্বিতীয় পদের শুরুতে উৎপাতের পরিবর্তে শুধু পাত রয়েছে, যা মূল শব্দের সঙ্গে মেলে না। C) অগ্নি+উৎপাত — এটি সঠিক অপশন কারণ নিয়ম মেনে সঠিক শব্দ দুটি যুক্ত হয়ে সঠিক সন্ধি গঠিত হয়েছে। D) অগ্নী+উৎপাত — এই অপশনটি ভুল কারণ অগ্নি শব্দটিতে দীর্ঘঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানরীতির দিক থেকে ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধি বিচ্ছেদের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন দুটি অংশই অর্থপূর্ণ শব্দ হয়। - ই-কার যুক্ত শব্দের সঙ্গে উ-কারযুক্ত শব্দ যোগ করার সময় য-ফলার নিয়মটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি ও স্বরসন্ধির মিশ্র নিয়ম প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের সঠিক বানান চেনা থাকলে এই ধরনের সন্ধি খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0