প্রশ্নের বর্ণনা

a অনুজ
b গ্রহীতা
c পশ্চাৎ
d অগ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অনুজ ১. কেন সঠিক: 'অগ্রজ' শব্দের অর্থ হলো বড় ভাই বা আগে জন্ম যার। এর বিপরীতার্থক বা অর্থসংগত দিক থেকে ছোট ভাই বা পরে জন্ম যার বোঝাতে 'অনুজ' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের উৎস, অর্থ ও ভাবের বিপরীত দিকটি বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দ মূলত শব্দের অর্থের গভীরতা ও ব্যাকরণগত রূপের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়। সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ সাধারণত একই উৎস থেকে আগত শব্দের মাধ্যমেই প্রকাশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্রগামী ব্যাখ্যা: অগ্রগামী শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হলো পশ্চাদগামী, যা সামনে চলার উল্টো অর্থ অর্থাৎ পেছনের দিকে যাওয়া বোঝায়। উদাহরণ ২: আগমন ব্যাখ্যা: আগমন শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হলো প্রস্থান, যা আসার বিপরীত অর্থ অর্থাৎ চলে যাওয়া নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুজ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ পরে জন্ম যার বা ছোট ভাই। B) গ্রহীতা — এই শব্দটির অর্থ যে গ্রহণ করে এবং এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো দাতা। C) পশ্চাৎ — এই শব্দটির অর্থ পেছনে বা পিছে, যা একটি অবস্থানবাচক শব্দ এবং অগ্রজ শব্দের বিপরীত নয়। D) অগ্র — এই শব্দটির অর্থ সামনে বা শুরু, যা অগ্রজ শব্দের অংশবিশেষ কিন্তু বিপরীতার্থক শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অগ্র মানে আগে এবং অনু মানে পরে। এই উৎসগত অর্থ মনে রাখলে অগ্রজের বিপরীত অনুজ সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীত শব্দ নির্বাচনে শব্দের মূল অর্থ এবং উপসর্গের ব্যবহার খেয়াল রাখা জরুরি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে তৎসম শব্দই নির্বাচন করতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0