প্রশ্নের বর্ণনা

a চারুচন্দ্র চক্রবর্তী
b সমরেশ বসু
c বিমল ঘোষ
d অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চারুচন্দ্র চক্রবর্তী ১. কেন সঠিক: জরাসন্ধ হলো প্রখ্যাত বাঙালি লেখক চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর ছদ্মনাম। তিনি এই ছদ্মনামে বাংলা সাহিত্যে বেশ কিছু জনপ্রিয় ও সমাজসচেতন উপন্যাস ও রচনা লিখেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চারুচন্দ্র চক্রবর্তী বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কথাশিল্পী যিনি জরাসন্ধ ছদ্মনামে সাহিত্যচর্চা করতেন। তাঁর পেশাগত জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে রচিত সাহিত্যকর্ম বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জরাসন্ধ ছদ্মনামে রচিত 'পৌরুষ' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা তাঁর ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: জরাসন্ধের বিখ্যাত রচনা 'মূর্তিয়া'। ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মটি লেখকের পেশাগত জীবনের বিভিন্ন বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চারুচন্দ্র চক্রবর্তী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি জরাসন্ধ ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। B) সমরেশ বসু — এই অপশনটি ভুল কারণ সমরেশ বসু কালকুট ও ভ্রমর ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। C) বিমল ঘোষ — এই অপশনটি ভুল কারণ বিমল ঘোষ মৌচাক ও মোহিত সেন ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। D) অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত নীহারিকা দেবী ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। ৫. মনে রাখার টিপস: চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর ছদ্মনাম জরাসন্ধ মনে রাখতে জরাসন্ধ নামের পৌরাণিক চরিত্রের মতো চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর লেখায় তীব্র বাস্তবতার রূপ ফুটিয়ে তোলার বিষয়টি মনে রাখতে পারো। বিখ্যাত লেখকদের ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য একটি তালিকা তৈরি করে নিয়মিত চর্চা করা উপকারী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখক ও তাঁদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই প্রখ্যাত লেখকদের আসল নামের পাশাপাশি তাঁদের ব্যবহৃত ছদ্মনামগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0