প্রশ্নের বর্ণনা

a ছন্নছাড়া
b অলুক্ষণে
c আলসেমির লক্ষণ
d অতিশয় দুর্বল
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলসেমির লক্ষণ ১. কেন সঠিক: - হাতে দুর্বা গজানো বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ হাতে ঘাস জন্মানো, যা দীর্ঘদিন কোনো শারীরিক পরিশ্রম না করার অবস্থাকে বোঝায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি অলসতা বা দীর্ঘসূত্রিতার প্রতীক হিসেবে বারবার ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে। - এটি বাংলা ভাষার সৌন্দৰ্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার অলস স্বভাবের কারণে এত দিনে তো হাতে দুর্বা গজানোর কথা। ব্যাখ্যা: দীর্ঘদিন কোনো কাজ না করার অবস্থাকে বোঝাতে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সারাদিন শুয়ে বসে কাটালে হাতে দুর্বা গজাবে বইকি। ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত অলস জীবনযাপন করা বোঝাতে এই উদাহরণটি প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছন্নছাড়া — এই অপশনটি ভুল কারণ ছন্নছাড়া অর্থ ঘরছাড়া বা শৃঙ্খলারহিত জীবনযাপনকারী, যা আলসেমির সমার্থক নয়। B) অলুক্ষণে — এই অপশনটি ভুল কারণ অলুক্ষণে অর্থ অমঙ্গলজনক বা অশুভ লক্ষণযুক্ত, যা বর্তমান বাগধারার সঙ্গে মেলে না। C) আলসেমির লক্ষণ — এই অপশনটি সঠিক এবং দীর্ঘকাল নিষ্ক্রিয় থাকার অবস্থাকে নির্দেশ করে। D) অতিশয় দুর্বল — এই অপশনটি ভুল কারণ অতিশয় দুর্বল শারীরিক বা মানসিক শক্তিহীনতা বোঝায়, অলসতা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দুর্বা ঘাস সাধারণত মাটিতে গজায়, কিন্তু অলস মানুষের হাতেও যদি ঘাস জন্মে যায় তবে বুঝতে হবে সে দীর্ঘকাল ধরে কোনো কাজ করছে না। - এই মজার কল্পনাটি মনে রাখলে পরীক্ষা এই বাগধারার অর্থ সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় আলসেমি বা নিষ্ক্রিয়তা বোঝাতে প্রায়ই এই বাগধারাটি অপশনে দেওয়া হয়। - প্রমিত বাংলা বাগধারার সঠিক অর্থ বুঝতে শব্দের রূপক ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0