প্রশ্নের বর্ণনা

a আবশ্যক
b আবশ্যকীয়
c আবিশ্যিক
d অত্যাবশ্যক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবিশ্যিক ১. কেন সঠিক: - ‘ঐচ্ছিক’ শব্দের অর্থ যা স্বেচ্ছায় বা ইচ্ছামতো গ্রহণ করা হয়। এর বিপরীতার্থক হিসেবে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে ‘আবিশ্যিক’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়। - বাংলা শব্দ গঠনে প্রত্যয় যোগ করে বিপরীত বা বিশেষ ভাব প্রকাশ করা হয়, যেখানে মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বিপরীত শব্দ গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে কখনো নতুন শব্দ এবং কখনো প্রত্যয় সাধিত শব্দ ব্যবহার করা হয়। - ‘ইচ্ছা’ শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘ঐচ্ছিক’ গঠিত হয় এবং এর বিপরীতার্থক রূপ হিসেবে ‘আবিশ্যিক’ স্বীকৃত ব্যাকরণিক শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐচ্ছিক বিষয় ব্যাখ্যা: এটি এমন একটি বিষয় যা শিক্ষার্থী তার নিজের ইচ্ছानुसार বেছে নিতে পারে, বাধ্যবাধকতা থাকে না। উদাহরণ ২: আবিশ্যিক পাঠ্য ব্যাখ্যা: এটি এমন একটি পাঠ্য যা সবার জন্য বাধ্যতামূলক এবং এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবশ্যক — এটি সঠিক শব্দ হলেও ব্যাকরণগতভাবে ‘ঐচ্ছিক’ এর সরাসরি বিপরীতার্থক হিসেবে প্রশ্নকর্তার মডেলে অন্যটিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। B) আবশ্যকীয় — এই বানানটি প্রমিত বা মানসম্মত হিসেবে পরীক্ষার জন্য যথোপযুক্ত বলে বিবেচিত হয় না। C) আবিশ্যিক — এটি পরীক্ষিত ও নির্দেশিত সঠিক উত্তর যা ব্যাকরণগতভাবে সমর্থিত। D) অত্যাবশ্যক — এটি তীব্র প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দের ব্যাকরণিক নিয়মে খাপ খায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঐচ্ছিক শব্দটির বিপরীত শব্দ মনে রাখার জন্য ইচ্ছার সঙ্গে সম্পর্কিত বাধ্যতামূলক রূপটি মাথায় রাখতে হবে। - পরীক্ষার হলে বানান ও প্রত্যয়গত রূপ খেয়াল করে সঠিক অপশনটি বেছে নিতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে শব্দের উৎস এবং প্রত্যয়গত মিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের শব্দগুলোর প্রমিত রূপ নিয়ে প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত বানান খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0