প্রশ্নের বর্ণনা

a অপাদানে প্রথমা
b কর্তায় শূন্য
c কর্মে শূন্য
d অধিকরণে শূন্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মে শূন্য ১. কেন সঠিক: বাক্যে ক্রিয়াকে কি বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে কর্মকারক বলে। এখানে ‘কাননে কুসুম সকলি ফুটিল’ বাক্যে ‘কী ফুটিল’ প্রশ্নের উত্তরে ‘কুসুম’ পদটি এসেছে, তাই এটি কর্মকারক। কুসুম শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি বা অনুসর্গ যুক্ত না থাকায় এটি প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে। বাক্যের মূল ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে কর্মকারক চিহ্নিত করা যায়। শব্দের সঙ্গে অ, আ বা কোনো বিভক্তি দৃশ্যমান না থাকলে তাকে শূন্য বিভক্তি বা প্রথমা বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো। ব্যাখ্যা: কাকে ডাকবে প্রশ্নের উত্তরে ডাক্তার কর্মকারক এবং এটি শূন্য বিভক্তিযুক্ত। উদাহরণ ২: ফুল তুলছি। ব্যাখ্যা: কী তুলছ প্রশ্নের উত্তরে ফুল কর্মকারক এবং এটি শূন্য বিভক্তিযুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপাদানে প্রথমা — অপাদান কারক হয় যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, গৃহীত, ভীত বা উৎপন্ন হয়। কুসুম এখানে উৎপন্ন বা বিচ্যুত বোঝাচ্ছে না, তাই এটি অপাদান কারক নয়। B) কর্তায় শূন্য — কর্তা নিজেই ক্রিয়া সম্পাদন করে। এই বাক্যে ফুল বা কুসুম নিজে কাজ করছে না, বরং ফুল ফোটানো ক্রিয়াটি সম্পন্ন হচ্ছে, তাই এটি কর্তা নয়। D) অধিকরণে শূন্য — অধিকরণ কারক স্থান, কাল বা বিষয় বোঝায়। কানন বা বাগান অধিকরণ কারক হলেও কুসুম পদটি স্থান বোঝাচ্ছে না, এটি ক্রিয়ার কর্ম। ৫ মনে রাখার টিপস: কর্মকারক চেনার সহজ উপায় হলো ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করা। উত্তর মিলে গেলে এবং তা শূন্য বিভক্তিযুক্ত হলে সেটি কর্মে শূন্য হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদকে প্রশ্ন করার কৌশল অত্যন্ত কার্যকর। বাক্যের অর্থ বুঝে প্রশ্ন করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0