প্রশ্নের বর্ণনা

a অধোগতি
b অধঃগতি
c অধগতি
d অধোঃগতি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অধোগতি ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বিসর্গ সন্ধির নিয়মে অকারের পর বিসর্গ থাকলে এবং তার পরে অ কিংবা বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ বা পঞ্চম বর্ণ অথবা অন্তস্থ বর্ণ (য, র, ল, ব, হ) থাকলে বিসর্গ ও পূর্ববর্তী অ মিলে ও-কার হয়। - অধঃ শব্দের শেষের বিসর্গ এবং গতির প্রথম অ মিলে ও-কার হয়ে অধোগতি শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের সন্ধি ও শুদ্ধ বানান অংশের অন্তর্গত বিসর্গ সন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। - অকারের পর বিসর্গ এবং পরে বর্গের তৃতীয় বর্ণ থাকলে বিসর্গ লোপ পেয়ে ও-কার হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মনঃ + গতিক = মনোতিক বা মনস্তাপ (এখানে বিসর্গের নিয়মের প্রয়োগ দেখা যায়) ব্যাখ্যা: মনঃ শব্দের বিসর্গের পর তাপ থাকলে তা মনস্তাপ হয়, যা বিসর্গ সন্ধির আরেকটি নিয়ম। উদাহরণ ২: বয়ঃ + বৃদ্ধ = বয়োবৃদ্ধ ব্যাখ্যা: অকারের পর বিসর্গ এবং বর্গের তৃতীয় বর্ণ থাকলে বিসর্গ ও অ মিলে ও-কার হয়, যেমনটি অধোগতি শব্দের ক্ষেত্রে হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধোগতি — এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত রূপ। B) অধঃগতি — এই বানানটিতে বিসর্গ রাখা হয়েছে যা প্রমিত বাংলা বানান নিয়মে বিসর্গ সন্ধির ফলে গ্রহণযোগ্য নয়। C) অধগতি — এই বানানে মধ্য থেকে বিসর্গ বা ও-কার বাদ দেওয়া হয়েছে যা সন্ধির সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি। ডি) অধোঃগতি — এই বানানে ও-কার এবং বিসর্গ একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে একটি গুরুতর ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে বিসর্গ উঠে গিয়ে অনেক সময় ও-কার যুক্ত হয়, তাই অধঃ যোগ গতি মিলে অধোগতি হয়। - পরীক্ষার হলে বিসর্গ ও ও-কার একসঙ্গে আছে এমন কোনো অপশন দেখলে তা সরাসরি বর্জন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধিজাত বানান যেমন বয়োবৃদ্ধ, তেজোদীপ্ত, অধোগতি বারবার আসে। - সন্ধির নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের শুদ্ধ বানান খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0