প্রশ্নের বর্ণনা

a আবেগসূচক
b প্রার্থনাসূচক
c বর্ণনাত্বক
d অনুজ্ঞাসূচক
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রার্থনাসূচক ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে বক্তার মনের কোনো ইচ্ছা, প্রার্থনা বা আশীষ প্রকাশ পায়, তাকে প্রার্থনাসূচক বাক্য বলে। এখানে বাংলাদেশ যেন জয়লাভ করে, এই বাক্যের মাধ্যমে বক্তা বাংলাদেশের জয়লাভের জন্য শুভকামনা বা প্রার্থনা প্রকাশ করেছেন। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: অর্থের দিক থেকে বাক্য প্রধানত পাঁচ প্রকার যথা বর্ণনাত্মক বা নির্দেশক, প্রশ্নসূচক, অনুজ্ঞাসূচক, প্রার্থনাসূচক এবং আবেগসূচক বাক্য। প্রার্থনাসূচক বাক্যে সাধারণত ঈশ্বর বা আল্লাহর কাছে কিংবা সাধারণভাবে কল্যাণ, মঙ্গল বা কোনো শুভ কামনার অভিব্যক্তি প্রকাশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনি দীর্ঘজীবী হোন। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে শ্রোতার দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়েছে, যা প্রার্থনাসূচক বাক্যের স্পষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: কল্যাণ হোক সবার। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সবার মঙ্গল বা কল্যাণ কামনা করা হয়েছে, তাই এটি একটি প্রার্থনাসূচক বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবেগসূচক — আবেগসূচক বাক্যে আনন্দ, বেদনা, বিস্ময় বা ঘৃণা প্রকাশ পায়, যা এই বাক্যে নেই। B) প্রার্থনাসূচক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে মনের প্রার্থনা বা শুভকামনা প্রকাশ পেয়েছে। C) বর্ণনাত্বক — বর্ণনাত্মক বাক্যে কোনো সাধারণ তথ্য বা বিবৃতি প্রকাশ করা হয়, কিন্তু এখানে প্রার্থনা প্রকাশ পেয়েছে। D) অনুজ্ঞাসূচক — অনুজ্ঞাসূচক বাক্যে আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝায়, যা এই বাক্যের ভাব নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যে যদি মঙ্গল কামনা, কল্যাণ প্রার্থনা বা শুভ ইচ্ছা প্রকাশ পায়, চোখ বন্ধ করে তাকে প্রার্থনাসূচক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। সাধারণত এ ধরনের বাক্যে হোন, হোক, যেন কিংবা করুন জাতীয় শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাক্যের রূপ বা অর্থ চেনার জন্য সবসময় বাক্যের মূল ভাব বা বক্তার উদ্দেশ্য লক্ষ্য করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0