প্রশ্নের বর্ণনা

a খাঁটি বাংলা উপসর্গ
b তৎসম উপসর্গ
c বিদেশী
d অনুসর্গ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৎসম উপসর্গ ১. কেন সঠিক: পরি, প্রতি, প্র প্রভৃতি উপসর্গগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ব্যাকরণে সংস্কৃত থেকে আগত এসব উপসর্গকে তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব উপসর্গ তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং তৎসম শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে, সেগুলোকে তৎসম উপসর্গ বলে। বাংলা ব্যাকরণে তৎসম উপসর্গ মোট কুড়িটি রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রহার ব্যাখ্যা: এখানে প্র একটি তৎসম উপসর্গ যা হারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করেছে। উদাহরণ ২: প্রতিদান ব্যাখ্যা: এখানে প্রতি একটি তৎসম উপসর্গ যা দানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাঁটি বাংলা উপসর্গ — পরি, প্রতি, প্র শব্দগুলো দেশীয় বা খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয়, কারণ খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট এক D একুশটি। C) বিদেশী — পরি, প্রতি, প্র উপসর্গগুলো আরবি, ফার্সি বা ইংরেজি ভাষার কোনো বিদেশী উপসর্গ নয়। D) অনুসর্গ — পরি, প্রতি, প্র শব্দগুলো বাক্যের পরে আলাদাভাবে বসে না, বরং শব্দের পূর্বে বসে উপসর্গ হিসেবে কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: তৎসম উপসর্গ কুড়িটি মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো প্র পরা অপ সম নি অব অনু নির্ দুর্ অভি প্রতি পরি সু উৎ সমতি অভি পরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় মোট তৎসম উপসর্গের সংখ্যা কুড়িটি এবং খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা এক D একুশটি। উপসর্গের কাজ হলো শব্দের অর্থে পরিবর্তন বা নতুন অর্থ সংযোজন করা।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0